মৌসুম শুরু হওয়ায় বাজারে কিছুটা কমতে শুরু করেছে চালের দাম। তাই নাজিরশাইল ছাড়া এই সপ্তাহে কমেছে প্রায় সব ধরণের চালের দাম। সামনে আরো কমার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ডিমের দাম বেড়েছে ডজনে ১০ টাকা, তবে কমেছে সোনালি ও ব্রয়লার মুরগির দাম। পেঁয়াজ, রসুন, আদা, চিনি, ডালের দাম স্থিতিশীল। বাজারে বেশিরভাগ সবজির দাম তুলনামূলক বেশি।
বাজারে আগেই বেড়ে থাকা পেঁয়াজের দাম ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মুদি দোকানের বাকি নিত্যণ্যের দাম স্থিতিশীল আছে।
লিটারে ১৪ টাকা বাড়িয়ে দেয়ার পর বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। ডিমের দাম আবারও বেড়ে ডজন ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনে ডিমের দাম বেড়েছে ২০ টাকা।
ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকায়। সোনালি মুরগির দামও কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ২০ টাকা।
বাজারে সবজির দাম আগের চেয়ে কিছুটা বেশি। ৫০ টাকা কেজির নিচে কোন সবজি নেই। সবজির দাম কমতে আরও সময় লাগবে বলে জানান বিক্রেতারা।
এছাড়া, দেশি ছোট্ট রসুনের কেজি ১৪০ টাকা, আমদানি করা বড় রসুনের কেজি ২৪০ টাকা টাকা, আদার কেজি বাজার ও ধরনভেদে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত মিলছে। চিকন মসুর ডাল ১৪০ টাকা, মোটা মসুর ডাল ১২০ টাকা, আমদানি করা মুগডাল ১৪০ টাকা এবং দেশি মুগডাল ১৬০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে।
সবজির মধ্যে বড় বেগুনের কেজি ১০০ টাকা, মাঝারি ধরনের বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বরবটি ৮০ টাকা কেজি, ধুন্ধল ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, ঢেড়স ৬০ টাকা কেজি দরে মিলছে। করল্লা বাজারভেদে কেজি ৬০ থকে ৭০ টাকায় কেনা যাচ্ছে। লাউ প্রতি পিস ৭০ থেকে ৮০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৭০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
পটলের কেজি ৫০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, ২৫০ গ্রামের ফুলকপি ৬০ টাকা, আলুর কেজি ২০ টাকা, পেঁপে ৮০ টাকা এবং কলার হালি ৪০ থেকে ধরনভেদে ৫০ টাকায় মিলছে বাজারে। লাল শাকের মুঠি ১৫ টাকা, মুলা শাক ৩০ টাকা, লাউ শাক ৩০ টাকা, পুঁই শাক ৩০ টাকা, কলমি লতা ১৫ টাকা, পাট শাক ১৫ টাকা এবং কাঁচা মরিচের কেজি ৮০ টাকায় মিলছে।
বাজারগুলোতে মলা ও কাচকি মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা। পাবদা ৬০০ টাকা, ছোট্ট বেলে ৬০০ টাকা, বড় বেলে ৬০০ টাকা, ট্যাংরা মাছ ৬০০ টাকা, ছোট পাঙ্গাসের কেজি ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, এক কেজির চেয়ে বেশি ওজনের পাঙ্গাসের কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, এক কেজি ওজনের ইলিশের কেজি ২৫০০ টাকা, ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, ৮০০ গ্রামের বেশি ওজনের ইলিশ ১৫০০ থকে ১৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বড় শোল কেজি ৮৫০ টাকা, চাষের মাগুর ৫০০ টাকা, টাকি ৬০০ থেকে ধরনভেদে ৮০০ টাকায় মিলছে। তেলাপিয়ার কেজি ২০০ টাকা, দেশি কই ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, ছোট রুই ২৮০, এক কেজির বেশি ওজনের রুই ৩৪০-৩৬০ টাকা, ছোট্ট কাতল ২৬০ টাকা, এক কেজির বেশি ওজনের কাতল ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাগদা চিংড়ি ৮০০ টাকা, গলদা ১০০০ টাকা, রূপচাঁদা ১০০০ টাকা, বড় বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় আইড় ১০০০ টাকা, এক কেজির চেয়ে বেশি ওজনের চিতল ৭০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে বাজারে।
গরুর মাংস ৭৫০ থেকে বাজারভেদে ৭৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস ১২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ছাগলের মাংস বাজারভেদে ১১০০ থেকে ১১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
রাজধানীর বাজারে আম ও লিচু আসা শুরু করেছে। দুয়েকটি কাঁঠালও চোখে পড়লো। আগে বাজারে আসে সাতক্ষীরার গোবিন্দভোগ আম। প্রতি কেজি গোবিন্দভোগ ১২০ থেকে ধরনভেদে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দুয়েকটি বাজারে গোপালভোগও আসা শুরু করেছে। গোপালভোগের কেজি ১২০ টাকা এবং হিম সাগরের কেজি ১৫০ টাকায় মিলছে।
প্রতি একশ’ লিচুর দাম ৪০০ থেকে ধরনভেদে ৬০০ টাকা, তিন কেজি ওজনের পাকা কাঁঠাল ২৫০ টাকা এবং তরমুজ ৫০ টাকা কেজি দামে বিক্রি হচ্ছে বাজারে।








