মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় অবস্থিত সেন্ট এন্ড্রু’স অডিটোরিয়ামে মুগ্ধতা ছড়ান বাংলাদেশের জনপ্রিয় রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা৷
দীর্ঘ বিরতির পর শহরটিতে সংগীত পরিবেশন করতে এসে দর্শকদের উষ্ণ অভ্যর্থনায় আপ্লুত হন এই বরেণ্য শিল্পী।
অনুষ্ঠান শেষে বন্যা বলেন, “মুম্বাইয়ে অনেকদিন পর গান গাইলাম। এখানে আবার ফিরে এসে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। মুম্বাইয়ের মঞ্চে গান গাওয়া আমার জন্য সবসময়ই আনন্দের।”
সন্ধ্যা গড়াতেই অনুষ্ঠান রূপ নেয় রবীন্দ্রসংগীত ও রবীন্দ্রদর্শনের এক প্রাণবন্ত উৎসবে। দর্শকদের পক্ষ থেকে একের পর এক গানের অনুরোধ আসতে থাকে।
শিল্পী বলেন, “দর্শকদের উৎসাহ আর গানের অনুরোধ দেখে মনে হয়েছে, তারা রবীন্দ্রনাথের কাজ ও দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। মুম্বাইয়ের মতো শহরে এমন পরিবেশনা শেষে আমি ভীষণ আনন্দিত। মুম্বাইবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞ। এখানকার এনার্জি অসাধারণ—আবারও আসতে চাই।”
মুম্বাইয়ে তার দীর্ঘদিনের অনুরাগী শ্রোতা রয়েছে। দর্শকদের অনুরোধে অনুষ্ঠান শেষ করাই যেন কঠিন হয়ে পড়ে। বন্যা জানান, মুম্বাই তার হৃদয়ে “বিশেষ জায়গা” দখল করে আছে। শ্রোতাদের বাছাই করা গানগুলোতে তিনি তাদের “পরিশীলিত রুচি”-র প্রতিফলন দেখেছেন বলে মন্তব্য করেন।
সন্ধ্যার অন্যতম আকর্ষণ ছিল তার শেষ পরিবেশনা ‘চিরসখা’। গানের শেষ সুর বেজে ওঠার পর পুরো অডিটোরিয়াম নীরবতায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে—অনেকেই যেন আবেগঘন এক মুগ্ধতার আবেশে ডুবে যান।
মূল পরিবেশনার আগে ‘মধুগুঞ্জন’ নামে একটি দল সংগীত ও নৃত্যের মাধ্যমে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করে অনুষ্ঠানের সূচনা করে। দলটির সদস্যদের অধিকাংশই অবাঙালি হলেও তারা রবীন্দ্রসংগীতের নিবেদিত অনুরাগী।







