বুয়েটে সন্ত্রাসের ছাত্র রাজনীতি প্রত্যাবর্তনের আশঙ্কায় বিদেশে অবস্থানরত পেশাজীবী, বুদ্ধিজীবী ও গবেষক-শিক্ষার্থীরা বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
বুধবার ১০ এপ্রিল সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা এ শঙ্কার কথা প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা নিম্নস্বাক্ষরকারীগণ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) সন্ত্রাসের ছাত্র-রাজনীতি ফিরে আসার আশঙ্কায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। বুয়েট ক্যাম্পাসে দীর্ঘদিনের অবাধ ত্রাসের রাজত্বের ফলাফল হিসেবে ২০১৯ সালে আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় বুয়েট শিক্ষার্থীদের সর্বাত্মক আন্দোলনের মাধ্যমে রাজনীতির মোড়কে সন্ত্রাসের কালোছায়া মুক্ত হয় বুয়েট ক্যাম্পাস।
অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, বাংলাদেশের সবচেয়ে কুলীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত এই প্রতিষ্ঠানে পুনরায় সন্ত্রাস ফিরিয়ে আনার প্রেক্ষাপট তৈরী করা হচ্ছে। ত্রাসের রাজত্বকালীন সময়ে বুয়েটে ক্ষমতাসীন দলের আশীর্বাদপুষ্ট একটা বিশেষ গোষ্ঠী ছাত্র-রাজনীতির মোড়কে প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোবদ্ধ সন্ত্রাস-নিপীড়ন চালিয়েছে। যার বিষদ তথ্যাদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুক্তভোগী ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার বরাতে প্রচারিত হয়েছে।
বুয়েটে সন্ত্রাসের ব্যপ্তি ও নির্মমতার বিস্তারিত বিবরণ দেশ ও দেশের বাইরের সকল বিবেকবান সত্ত্বাকে উদ্বিগ্ন করেছে।
আমরা সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে শব্দখেলায় মেতে উঠে বুয়েটে ত্রাসের রাজত্ব ফিরিয়ে আনা বন্ধ, অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও সন্ত্রাসী সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা এবং সন্ত্রাসের সাথে যুক্ত ব্যক্তিবর্গকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
স্বাক্ষরকারী
১. ড. সারোয়ার হোসেন, সিনিয়র রিসার্চ ইঞ্জিনিয়ার, হানিওয়েল এরোস্পেস, যুক্তরাষ্ট্র।
২. হাসান মাহমুদ, সহকারি অধ্যাপক, নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি কাতার।
৩. ড. মাহমুদুল হাসান, পোস্ট ডক্টরাল গবেষক, ইউনিভার্সিটি অব পিটসবার্গ, পেনসিলভেনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
৪. ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, পোস্ট ডক্টোরাল ফেলো, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র।
৫. ড. মুহাম্মাদ এহসানুল হক, অরহুস ইউনিভার্সিটি, ডেনমার্ক।
৬. খন্দকার রাকীব, এন্থ্রপলজি বিভাগ, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, আরভাইন।
৭. মীর হাসান, রাইটিং কোচ, ব্রেমেন বিশ্ববিদ্যালয়, জার্মানি।
৮. তানজিলুর রহমান, পিএইচডি গবেষক, মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র।
৯. সোলায়মান খান, পিএইচডি গবেষক, ইউনিভার্সিটি অব মিজৌরি কলাম্বিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
১০. জুনায়েদ আহমেদ এহসান, পিএইচডি গবেষক, এনথ্রোপলজি, ইউনিভার্সিটি অফ উইস্কনসিন, মেডিসন, যুক্তরাষ্ট্র।
১১. বিল্লাল হুসাইন, সোয়াস ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
১২. মুস্তাফিজুর রহমান, জার্নালিজম, পোস্ট গ্রাজুয়েট, আনকারা হাজী বাইরাম ভ্যালি ইউনিভার্সিটি, তুরস্ক।
১৩. ইব্রাহীম সাবিত, প্রকল্প ব্যবস্থাপক, সিপিজে এসোসিয়েটস, ম্যারিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র।
১৪. মুহাম্মদ মুস্তাফিজ, পোস্ট গ্রাজুয়েট, রেডিও, ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন, মারমারা বিশ্ববিদ্যালয়, তুরস্ক।
১৫. মু. সাইফুল ইসলাম, পিএইচডি গবেষক, আঙ্কারা ইউনিভার্সিটি, তুরস্ক।
১৬. মিনহাজুল আবেদীন, পিএইচডি গবেষক, ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়; ইস্তাম্বুল, তুরস্ক।
১৭. রাসেল মোহাম্মদ, গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকৌশলী, জাপান।
১৮. শাহরিয়ার কামাল, পিএইচডি গবেষক, নাগোয়া বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান।
২৪. মোহাম্মদ শোয়াইব, এম.এসি ইন ইসলামিক ফাইনান্স, মালায়শিয়া।
২৫. আবু রায়হান, পিএইচডি গবেষক, কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র।
২৬. এন এইচ এম আরাফাত, গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ট, ইউনিভার্সিটি অফ টলেডো, যুক্তরাষ্ট্র।
২৭. তাইয়িব আহমেদ, পিএইচডি ক্যান্ডিড্যাট, কলোরেডো স্টেইট ইউনিভার্সিটি।
২৮. সিব্বির আহমেদ, পিএইচডি গবেষক, মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি।
২৯. শাহিদুল ইসলাম, পিএইচডি ক্যান্ডিড্যাট, পারডু ইউনিভার্সিটি।
৩০. আহমাদ ইলদেরীম তকী, পিএইচডি গবেষক, ওহায়ো স্টেট ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র।
৩১. কাজী রুহুল্লাহ শাহরিয়ার, পিএইচডি ক্যান্ডিডেট, ইউনিভার্সিটি অব টেনেসী-নক্সভিল, যুক্তরাষ্ট্র।
৩২. ফুয়াদ আল আবীর, পিএইচডি গবেষক, ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা এট বার্মিংহাম-আলাবামা, যুক্তরাষ্ট্র।
৩৩. কাজী জহিরুল ইসলাম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, পোস্ট গ্রাজুয়েট, মেরসিন বিশ্ববিদ্যালয়, তুরস্ক।
৩৪. কিম ইকবাল, পিএইচডি ক্যান্ডিডেট, ড্রেক্সেল ইউনিভার্সিটি।
৩৫. মুহাম্মদ তালহা, গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ট, ইউনিভার্সিটি অব বার্গেন, নরওয়ে।
৩৬. এম.এইচ. মাহমুদ, গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ট, ইউনিভার্সিটি অব বৃটিশ কলাম্বিয়া।
৩৭. শামসুল ইসলাম চৌধুরী, গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ট, ইউনিভার্সিটি অব অলবোর্গ, ডেনমার্ক।








