‘আমি বাংলায় গান গাই’-এই গানটির সাথে ঠোঁট মেলাননি এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া বিরল! আর এই গানটির সাথে জড়িয়ে আছে এক কিংবদন্তীর নাম, তিনি প্রতুল মুখোপাধ্যায়। গানটির লিরিক, সুর ও কণ্ঠ সবই তার। পশ্চিম বাংলার এই বিখ্যাত মানুষটির শারীরিক অবস্থা ভালো নেই।
বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে এই প্রবীণ গায়ক। কলকাতার সংবাদ মাধ্যম বলছে, বর্তমানে তিনি হাসপাতালের ইনটেনসিভ থেরাপি ইউনিটে (আইটিইউ) রয়েছেন। বিগত সপ্তাহ দুয়েক ধরেই এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ‘আমি বাংলায় গান গাই’য়ের স্রষ্টা।
জানা যায়, অন্ত্রের অপারেশনের পর হার্ট অ্যাটাক হয় প্রতুল মুখার্জীর। দ্রুত অবনতি হতে থাকে শারীরিক অবস্থার। অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী সংক্রমণের ফলে পরিস্থিতি ক্রমে জটিল হয়ে উঠছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আপাতত সংজ্ঞাহীন এই কিংবদন্তী গায়ক। নিউমোনিয়াতেও আক্রান্ত।
সোমবার তার শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত খোঁজ নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার নির্দেশে রাজ্যের দুই মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও ইন্দ্রনীল সেন হাসপাতালে প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের খোঁজখবর নিয়েছেন।
বিভিন্ন চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন হয়েছে। এদিন রাতেও তিনি সংকটজনক অবস্থায় এসএসকেএমের আইটিইউ-তে চিকিৎসাধীন বলে জানিয়েছে মেডিকেল বোর্ড সূত্র।
১৯৪২ সালের ২৫ জুন অবিভক্ত বাংলার বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়। ‘আমি বাংলায় গান গাই’-প্রতুল মুখোপাধ্যায়কে বাংলা গানের জগতে অমরত্বের আসনে বসালেও তার গাওয়া আরো কিছু গান মানুষকে আন্দোলিত করেছে, আলোড়িত করেছে। এরমধ্যে ‘আলু বেচো, ছোলা বেচো, বেচো বাখরখানি/বেচো না বেচো না বন্ধু তোমার চোখের মণি।’ গানটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।








