একের পর হল বন্ধের খবর পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে মুক্তি পেল তিন সিনেমা। এগুলো হচ্ছে সাবা, স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা এবং উদীয়মান সূর্য।
ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রচার প্রচারণা ছাড়াই সিনেমাগুলো মুক্তি পাচ্ছে। শুধু কিছুটা ব্যতিক্রম মেহজাবীন চৌধুরী অভিনীত ‘সাবা’।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনের পর দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী অভিনীত প্রথম ও মুক্তিপ্রাপ্ত দ্বিতীয় সিনেমা ‘সাবা’। এটি পরিচালনা করেছেন মাকসুদ হোসাইন। বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্স, মহাখালীর এসকেএস টাউয়ার, মিরপুর সনি স্কয়ার, যমুনা ব্লকবাস্টার, শ্যামলী, মমইন বগুড়া, সিনেস্কোপ নারায়ণগঞ্জ এই সাতটি প্রেক্ষাগৃহে চলছে ‘সাবা’।
মেহজাবীন চৌধুরী বলেন, ‘আমি চরিত্রটা পড়েই বুঝেছিলাম, এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আমাকে এটি করতেই হবে। এ ধরনের চরিত্রে আগে কখনও অভিনয় করিনি। তাই ‘সাবা’ আমার কাছে একেবারেই নতুন অভিজ্ঞতা। আশা করছি, দর্শকও সিনেমাটি পছন্দ করবেন। মা এবং মেয়ে ৯০ মিনিট দৈর্ঘ্যের ‘সাবা’ সিনেমায় মেহজাবীন চৌধুরী ছাড়াও অভিনয় করেছেন রোকেয়া প্রাচী, মোস্তফা মনোয়ার।
মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ‘স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা’ সিনেমাটি দেশের বিভিন্ন জেলার ২৭টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে। এই সিনেমাটির দৃশ্যধারণ করা হয়েছে কোভিড মহামারির বছর (২০২০ সালে)। দৃশ্যধারণের পাঁচ বছর পর আলোর মুখ দেখছে সিনেমাটি। এতদিন নানা কারণে সিনেমাটি থমকে ছিল। তবুও সিনেমাটি নিয়ে আশাবাদী এর নির্মাতা। ‘স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা’ সিনেমাটি ২৭টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে।
পরিচালক মানিক বলেন, আমরা গল্পনির্ভর একটি সিনেমা বানিয়েছি। আশা করছি, দর্শকরা প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে সিনেমাটি উপভোগ করবেন। চলচ্চিত্রটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক আদর আজাদ ও চিত্রনায়িকা নিশাত নাওয়ার সালওয়া। চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন সুদীপ্ত সাঈদ খান। গান লিখেছেন সুদীপ কুমার দীপ। সংগীতায়োজন করেছেন শাহরিয়ার রাফাত।
মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল সময়ে জন্ম নেওয়া এক অমলিন প্রেমের গল্পে নির্মিত এস. এম. শফিউল আযম পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘উদীয়মান সূর্য’ সাতটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে। এতে কেন্দ্রীয় দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাদমান সামীর ও কান্তা নুর।
নির্মাতা শফিউল আযম বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ কেবল একটি ঐতিহাসিক অধ্যায় নয়, এটি বাঙালি জাতির আত্মপরিচয়ের প্রতীক। এই সিনেমায় দেশপ্রেমের কথা বলা হয়েছে এবং নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানানোর চেষ্টা করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সময়ের প্রেমের গল্পও তুলে ধরা হয়েছে। প্রেম, ভালোবাসা, অ্যাকশন, গান সব মিলিয়ে দর্শকদের ভালো লাগবে আশা করছি।’
এতে অভিনয় করেছেন শিশির আহমেদ, তামান্না জুলি, ওবিদ রেহান, আনোয়ার সিরাজী, গুলশান আরা পপি, এবিএম সোহেল রশীদ, বিল্লু, শাহেলা আক্তার, সাদিয়া আফরিন, আহমেদ সাজু প্রমুখ।








