শেষ ওভারে আয়ারল্যান্ডের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৫ রান। বল হাতে আসেন স্বর্ণা আক্তার। প্রথম বলেই আর্লিন কেলিকে রানআউট করেন নাহিদা আক্তার। দুই রান নিতে গিয়ে তিনি আউট হলে পরের ডেলিভারি থেকে দৌড়ে দুই রান নেন লরা ডেলানি। তখনও আইরিশদের জয়ে দরকার ৪ বলে ১২ রান। সেই সমীকরণ মিলিয়েছেন ডেলানি। পরের তিন বলে টানা তিন চারে শেষ টি-টুয়েন্টিতে জয় তুলে টিম টাইগ্রেসকে হোয়াইটওয়াশ করেছে আয়ারল্যান্ড। ৪ উইকেটের হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।
সিলেটে সোমবার তিন টি-টুয়েন্টির সিরিজে শেষটিতে টসে জিতে বাংলাদেশকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় আয়ারল্যান্ড। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে ১৯.৫ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় আয়ারল্যান্ডের মেয়েরা।
এ নিয়ে চলতি বছর টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে ঘরের মাটিতে তৃতীয় হোয়াইটওয়াশ হল বাংলাদেশের মেয়েরা। আগে ভারতের বিপক্ষে (৫-০) এবং অস্ট্রেলিয়ার মেয়েদের সঙ্গে (৩-০) ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল দলটি। টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে বাংলাদেশের মেয়েদের তিনটি ধবলধোলাইয়ের সবকটিই হল এবছর।
সহজ লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ১ বল বাকি থাকতে ৪ উইকেটের জয় ছিনিয়ে নেয় আয়ারল্যান্ড। জয়ের খুব কাছে গিয়েও শেষ ওভারে ম্যাচ হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। আইরিশদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন ডেলানি। অ্যামি হান্টার ২৮, গ্যাবি লুইসের ব্যাটে আসে ২১ রান।
বাংলাদেশের হয়ে রাবেয়া খান ২টি, একটি করে উইকেট নেন নাহিদা আক্তার ও জান্নাতুল ফেরদৌস।
আগে ওপেনিংয়ে সোবহানা মোস্তারিকে নিয়ে নামেন মুর্শিদা খাতুন। ৩৩ রানে প্রেন্ডারগাস্টের শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরে যান মুর্শিদা। ওয়ান ডাউনে নামেন শারমিন আকতার। পাওয়ার প্লে শেষে টাইগ্রেসদের সংগ্রহ দাঁড়ায় এক উইকেটে ৪৯ রান।
শারমিনের সঙ্গে দারুণ এক জুটি গড়েন সোবহানা। ৫৮ বলে ৭১ রান যোগ করেন জুটিতে। বাংলাদেশ বড় স্কোরের সুবাস পাচ্ছিল। শারমিনের বিদায়ে ভাঙে জুটি।
৩৩ বলে ৪ চারে ৩৪ রান করে ম্যাগুয়েরের শিকার হন শারমিন। তার বিদায়ের পর সোবহানাও বেশিক্ষণ টেকেননি। পরের ওভারে বল হাতে ফিরে সোবহানাকে ফেরান ম্যাগুয়ের। ৪৩ বলে ৬ চারে ৪৫ রান করেন এ ওপেনার। বাকিদের মধ্যে কেউ আর দাঁড়াতে না পারলে শেষপর্যন্ত বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১২৩ রানে।








