এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
১৩ মৌসুম স্পেনের রিয়াল মাদ্রিদে কাটিয়ে গেলেন লুকা মদ্রিচ। যেখানে লস ব্লাঙ্কোসদের হয়ে জিতেছেন ব্যালন ডি’অর। ক্রোয়েশিয়ান তারকা পায়ের জাদুর ছাপ রেখে গেলেন সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে। রিয়াল ছেড়ে আগামী মৌসুমে খেলবেন ইতালির মিলান শহরে। এসি মিলানের হয়ে ২৫-২৬ মৌসুম খেলবেন ৩৯ বর্ষী মদ্রিচ।
মদ্রিচ যে মৌসুমে মাদ্রিদে এসেছিলেন, স্প্যানিশ গণমাধ্যমে ভোটিং পোলে সেই চুক্তিটি আখ্যা পায় মৌসুমের সবচেয়ে বাজে সাইনিংয়ের। সব সমালোচনাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ১৩ মৌসুম কাটিয়ে রিয়াল ছাড়লেন ক্লাবটির মোস্ট ডেকোরেটেড ফুটবলার হিসেবে। রিয়ালের হয়ে সর্বোচ্চ ২৮টি শিরোপা জিতেছেন মদ্রিচ।
বিদায়ী ম্যাচে ক্লাব বিশ্বকাপের মঞ্চে সেমিফাইনালে পিএসজির কাছে হেরে যায় রিয়াল, ৪-০ গোলে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে মদ্রিচ লিখেছেন, ‘রিয়াল মাদ্রিদ আমার চিরস্থায়ী ঘর, ১৩ বছর কাটিয়েছি এখানে। শেষ বিদায় নয়, আবার দেখা হবে।’
ইংলিশ ক্লাব টটেনহ্যাম হটস্পার থেকে ২০১২ সালে মদ্রিচকে উড়িয়ে এনেছিল রিয়াল। ক্লাবটির হয়ে সবচেয়ে বেশি বয়সে মাঠে নামার ও গোল করার রেকর্ডও তার। স্পেনিয়ার্ড নন এমন ফুটবলারের মধ্যে ফ্রান্সের করিম বেনজেমার পরে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন মদ্রিচ। বেনজেমা খেলে গেছেন ৬৪৮ ম্যাচ ও মদ্রিচ খেলেছেন ৫৯৭ ম্যাচ।
২০০২ থেকে একযুগ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা খরায় ধুঁকতে থাকে রিয়াল মাদ্রিদ। ২০১৪ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে প্রথম ডার্বি ম্যাচে ১-০ গোলে পিছিয়ে থাকে ম্যাচে। ৯২ মিনিট ৪৮ সেকেন্ডে কর্নার কিক থেকে রামোসকে দিয়ে গোল করান মদ্রিচ। অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ গড়ায়। রিয়াল শেষঅবধি ৪-১ গোলে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে জেতে নিজেদের দশম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা।
রিয়ালের হয়ে ২০১৪-এর পর মদ্রিচ জেতেন আরও ৫টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা। মেসি-রোনালদোর দ্বৈরথের সময় ২০১৮ সালে জেতেন ব্যালন ডি’অর। ২০২২ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালেও তার খেলায় মুগ্ধ হন লস ব্লাঙ্কোসরা।
চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ৪০ ববছরে পা দেবেন ক্রোয়েশিয়ান মিডফিল্ডার। এখনও খেলে চলেছেন নিজের ছন্দে। এসি মিলানের হয়ে বেশ কম বেতনে আগামী মৌসুম খেলবেন মদ্রিচ।







