রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পোষ্য কোটা ইস্যুকে কেন্দ্র করে ‘শিক্ষক লাঞ্ছনার’ অভিযোগে চতুর্থ দিনের মতো শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ডাকে চলছে কমপ্লিট শাটডাউন।
এর ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো ক্যাম্পাস। ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী হল ও মেস ছেড়ে বাড়ি চলে গেছে, ফলে পুরো ক্যাম্পাস এখন ফাঁকা।
এর আগেও শাটডাউনের কারণে শিক্ষার্থীরা আগেভাগেই ক্যাম্পাস ছেড়েছেন। একাধিক দিন ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।
এদিকে শিক্ষক লাঞ্ছনাকারী শিক্ষার্থীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সকাল থেকেই শহীদ বুদ্ধিজীবী চত্বরের সামনে অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একটি অংশ। তারা জানিয়েছেন, দৃশ্যমান ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত তারা তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স সমিতির সভাপতি মোক্তার হোসেন বলেন, শাটডাউনের কারণে জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। শিক্ষক লাঞ্ছনাকারী নামধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।
তিনি আরও বলেন, দুঃখের বিষয়, প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো অগ্রগতি দেখতে পাচ্ছি না। তবে আজ আমরা আশাবাদী, প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি মীমাংসিত সিদ্ধান্ত আসবে।
অন্যদিকে, শাটডাউনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের অচলাবস্থা নিরসনে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে মানববন্ধন করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে এই শাটডাউন প্রত্যাহার করে ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে না আনলে আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে এর জবাব দেওয়া হবে।








