রাচিন রবীন্দ্র ও কেন উইলিয়ামসনের সেঞ্চুরিতে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসের সর্বোচ্চ সংগ্রহের রেকর্ড গড়েছিল নিউজিল্যান্ড। রেকর্ড তাড়ায় নেমে ডেভিড মিলারের ঝড়ো সেঞ্চুরিতে কেবল ব্যবধানই কমাতে পেরেছে প্রোটিয়ারা। কিউইদের কাছে ৫০ রানে হেরে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে টেম্বা বাভুমার দল।
প্রোটিয়াদের হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে নিউজিল্যান্ড। আগের দুবারের মধ্যে ২০০০ আসরে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কিউইরা। ২০০৬ আসরে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ফাইনালে হেরে যায় তারা। এবার আবারও ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে নিউজিল্যান্ড। আগামী ৯ মার্চ দুবাইতে গড়াবে শিরোপা মহারণ, বাংলাদেশ সময় বিকেল তিনটায় শুরু লড়াই।
আসরের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে টসে জিতে আগে ব্যাটে নামে নিউজিল্যান্ড। নির্ধারিত ওভার শেষে ৬ উইকেটে ৩৬২ রানের সংগ্রহ গড়ে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড এটি। আগের রেকর্ডটি অস্ট্রেলিয়ার। চলতি আসরে ইংল্যান্ডের ৩৫১ রান তাড়ায় নেমে ৩৫৬ করেছিল অজিরা। জবাবে ৯ উইকেটে ৩১২ রানে থামে প্রোটিয়াদের ইনিংস।
রানতাড়ায় নেমে শেষদিকে তাণ্ডব চালান ডেভিড মিলার। ১০ চার ও ৪ ছক্কায় ৬৭ বলে সেঞ্চুরি করেন। ১০ চার ও ৪ ছক্কায় ৬৭ বলে সেঞ্চুরি করেন। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড এটি। আগের রেকর্ডটি ছিল বীরেন্দ্র শেবাগের। ২০০২ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৭৭ বলে সেঞ্চুরি করেন ভারত ব্যাটার। চলতি আসরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেবাগের রেকর্ডটি স্পর্শ করেন অস্ট্রেলিয়ার জশ ইংলিশ। ৭৭ বলে সেঞ্চুরি করেন তিনিও।
তার অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংসে পরাজয়ের ব্যবধান কমাতে পারে সাউথ আফ্রিকা। ফিফটি করেছেন দুজন। অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা ৪ চার ও এক ছক্কায় ৭১ বলে ৫৬ রান করেন। রসি ফন ডার ডুসেন করেন ৬৬ বলে ৬৯ রান, ছিল ৪ চার ও ২ ছক্কার মার।
২৯ বলে ৩১ রান করেন এইডেন মার্করাম। রায়ান রিকেলটন করেন ১২ বলে ১৭ রান। কাগিসো রাবাদা করেন ২২ বলে ১৬ রান।
নিউজিল্যান্ডের মিচেল স্যান্টনার ৩ উইকেট নেন। গ্লেন ফিলিপস ও ম্যাট হেনরি নেন ২টি করে উইকেট।
এর আগে সাউথ আফ্রিকার বোলারদের বিপক্ষে তাণ্ডব চালায় নিউজিল্যান্ড। রাচিন রবীন্দ্র ও কেন উইলিয়ামসনের সেঞ্চুরিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির রেকর্ড সংগ্রহ গড়ে তারা। রাচিন রবীন্দ্র ১৩ চার ও এক ছক্কায় ১০১ বলে ১০৮ রান এবং কেন উইলিয়ামসন ১০ চার ও ২ ছক্কায় ৯৪ বলে ১০২ রান করেন।
দুজনের পাশাপাশি প্রোটিয়া বোলারদের উপর তাণ্ডব চালান ড্যারিল মিচেল ও গ্লেন ফিলিপস। মিচেল ৪ চার ও এক ছক্কায় ৩৭ বলে ৪৯ রান করেন। ফিলিপস ৬ চার ও এক ছক্কায় ২৭ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন। উইল ইয়ং ২৩ বলে ২১ রান এবং মাইকেল ব্রেসওয়েল ১২ বলে ১৬ রান করেন।
প্রোটিয়াদের হয়ে লুনগি এনগিদি ৩ উইকেট নেন। কাগিসো রাবাদা নেন ২ উইকেট।








