বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সম্মানজনক পদে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের দায়িত্ব পালন দেশের জন্য মর্যাদাহানিকর বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
আজ (২৬ জানুয়ারি) রোববার দুদকের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম এ বিষয়ে সংবাদ বিবৃতি দেয়ার কথা নিশ্চিত করে জানান ওই পদে মনোনয়নকালে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল কানাডার পাসপোর্টধারী তথা কানাডার নাগরিক ছিলেন বলেও তথ্য পাওয়া গেছে।
বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপব্যবহার এবং নিয়ম বহির্ভূত কার্যকলাপের আশ্রয় নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে ডব্লিউএইচও’র আঞ্চলিক পরিচালক নিয়োগ দেয়ার অভিযোগে দুদক বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মো. আকতারুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ৭৬তম সম্মেলন উপলক্ষে ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর থেকে দোসরা নভেম্বর পর্যন্ত দিল্লিতে বাংলাদেশ থেকে রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় করে শতাধিক কর্মকর্তা ও প্রতিনিধি দল উপস্থিত হয়।
এক্ষেত্রে পুতুল নিজের পারিবারিক প্রভাব এবং তার নিকটাত্মীয়দের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে বাংলাদেশ সরকারের বিপুল অর্থ ক্ষতিসাধন করেছেন বলে উল্লেখ করা হয় বিবৃতিটিতে। এছাড়া যুক্তিযুক্ত কোনও কারণ ছাড়াই মিজ পুতুলকে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সফরে সঙ্গী করা হয়। তার ক্ষেত্রে প্রার্থীর যোগ্যতা হিসেবে প্রদত্ত তথ্যাদি যথাযথ ছিল না।
দুদক জানিয়েছে, পুতুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ রয়েছে। এমন একজন ব্যক্তি বাংলাদেশের মনোনীত হয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি সম্মানজনক পদে দায়িত্ব পালন করে যাওয়া দেশের জন্য মর্যাদাহানিকর। এতে বিশ্বে দেশের সুনাম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।








