রাউন্ড অব সিক্সটিনে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে ইউরোর ২০২০ আসর থেকে বিদায় নিয়েছিল ফ্রান্স। সেদিন পেনাল্টি শ্যুটআউটে ব্যর্থ হন কাইলিয়ান এমবাপে। বিশ্বকাপজয়ীদের বাদ পড়ার সব দায় বর্তেছিল পিএসজি তারকার উপরই। তাতে এতটাই ভেঙে পড়েছিলেন যে, ২১ বছর বয়সেই জাতীয় দল থেকে অবসর নিতে চেয়েছিলেন।
ফ্রেঞ্চ ফুটবল ফেডারেশনের (এফএফএফ) প্রেসিডেন্ট নোয়েল লে গ্রেট দিয়েছেন এমন বিস্ফোরক তথ্য। সমর্থকদের দুয়ো থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ট্রল সহ্য করতে না পেরেই এমন সিদ্ধান্তের পথে হাঁটতে চেয়েছিলেন ১৯ বছরে বিশ্বকাপ জেতা এমবাপে।
‘ইউরো শেষে তার সঙ্গে দেখা করেছিলাম। এমবাপে মনে করছিলেন, পেনাল্টি সুযোগ হাতছাড়ার পর এবং যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে সমালোচনার সময় ফেডারেশন তার পাশে ছিল না।’ বলেছেন লে গ্রেট।
‘আমার অফিসে তাকে পাঁচ মিনিটের জন্য পেয়েছিলাম। তিনি রেগে ছিলেন, ফ্রান্সের হয়ে আর কোনো ম্যাচই খেলতে চাননি। আপনি জানেন, এটা কেমন ছিল, এমবাপে একজন চ্যাম্পিয়ন। বাদ পড়ায় আমাদের সবার মতো তিনিও মুষড়ে পড়েছিলেন।’
ইউরো থেকে ছিটকে যাওয়ার পর ২০২১ সালের অক্টোবরে লে’কিপের কাছে ‘নিজেকে দলের বোঝা’ বলেছিলেন এমবাপে। নানা দিকের সমালোচনায় বিদ্ধ হওয়ায় জার্সি তুলে রেখে দিতে চেয়েছিলেন। জানিয়েছিলেন, দিদিয়ের দেশমের ফ্রান্স যদি তাকে ছাড়া ভালো করতে পারে তাহলে তিনি অবসরে যাবেন।
এরপর সময় অনেক গড়িয়েছে। পিএসজিতে বিশ্বের অন্যতম বেতনভুক্ত ও ক্ষমতাধর খেলোয়াড়ে পরিণত হয়েছেন ২৩ বর্ষী স্ট্রাইকার। কাতার বিশ্বকাপের কোয়ালিফাই ও নেশনস লিগের কয়েকটি ম্যাচ খেলেছেন। ফরাসি জার্সিতে এপর্যন্ত ৫৭ ম্যাচে পেয়েছেন ২৭ গোল, সতীর্থদের জালের দেখা পেতে সহায়তা করেছেন আরও ২১ বার।








