পবিত্র রমজান মাসে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার প্রতিবাদে মধ্যপ্রাচ্য থেকে এশিয়ায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। খামেনির মৃত্যুতে কয়েকজন বিক্ষোভকারী পাকিস্তানের করাচিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে প্রবেশ করলে নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে আটজন নিহত হন। মধ্যপ্রাচ্যে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে এই ঘটনা ঘটে।
রোববার (১ মার্চ) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।
একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, করাচির মার্কিন দূতাবাসের বাইরে রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হচ্ছে। বিক্ষোভকারীরা পাথর ছুঁড়লে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। আরেকটি ভিডিওতে দেখা গেছে কনস্যুলেটের গেটযুক্ত প্রাঙ্গণের ভেতরে বেশ কয়েকজন লোক প্রধান ভবনে প্রবেশের জন্য জানালা এবং দরজার কাচ ভেঙে ফেলার চেষ্টা করছে। ভবনের কিছু অংশে আগুন লাগানো হয়েছে বলে অভিযোগ।
এধি রেসকিউ সার্ভিসের এক বিবৃতি অনুসারে, আইন প্রয়োগকারী কর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ারগ্যাস এবং লাঠিচার্জ করেছেন, যার ফলে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এধি ফাউন্ডেশন উদ্ধারকারী সংস্থার মুখপাত্র মুহাম্মদ আমিন বলেছেন, “আমরা করাচির সিভিল হাসপাতালে কমপক্ষে আটটি মৃতদেহ স্থানান্তর করেছি এবং দূতাবাসে বিক্ষোভের ঘটনায় আরও ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে জড়িত বেশিরভাগের মানুষেরই গুলি লেগেছে বলে জানান তিনি।
ইরানি নেতাকে হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানে মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে কাপুরুষোচিত, জঘন্য এবং বর্বরোচিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। এতে স্বাধীনতা, মর্যাদা এবং প্রতিরোধের আদর্শের ক্ষেত্রে খামেনির নিষ্ঠার কথা স্মরণ করা হয়েছে।








