প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি বাসভবন যমুনায় উঠছেন না, গুলশান অ্যাভেনিউ ১৯৬ নম্বর বাড়িতেই থাকবেন। প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান এবং ঈদের দিন প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানও গুলশানের বাসাতেই হবে বলেও জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) যমুনা পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানিয়েছেন।
আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী যমুনা সরকারি বাসভবনে উঠছেন না। তিনি দেশে ফেরার পর থেকেই গুলশানের নিজ বাসায় স্বাচ্ছন্দ্যে অবস্থান করছেন। বাসাটিকে এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে প্রধানমন্ত্রী এবং তার পরিবার সেখানে আরামদায়কভাবে থাকতে পারেন।
প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানও গুলশান বাসাতেই অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে কুটনীতিক এবং আলেম-ওলামাদের সম্মানে দুইটি ইফতার অনুষ্ঠান এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া ঈদের দিন প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানও গুলশান ১৯৬ নম্বর বাড়িতেই হবে।
প্রায় ১৭ বছর পর ২০২৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী। দেশে ফিরে তিনি এবং তার পরিবার গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িতেই উঠেন। পাশের ‘ফিরোজা’ নামের বাড়িতে থাকতেন তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
১৯৬ নম্বর বাড়িটি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পরে খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এই সিদ্ধান্ত নেয় রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভা।
গত বছর এই বাড়ির দলিলপত্র বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে হস্তান্তর করেন সাবেক গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও রাজউক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম রিজু।
এর আগে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের পর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, যমুনা সরকারি বাসভবন সংস্কার হলে সেখানেই প্রধানমন্ত্রী উঠবেন। মন্ত্রণালয় তখন যমুনাকে রাষ্ট্রীয় বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত করেছিল।


