কোন রকম প্রতিযোগিতা ছাড়া বিগত সরকারের আমলে শুধু পরিচিতির খাতিরেই বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্দোবস্ত আর বিদ্যুৎ কেনাবেচা হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
আজ ৭ ডিসেম্বর শনিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘প্রেডিক্টেবল এনার্জি প্রাইসিং অ্যান্ড সাপ্লাই স্ট্যাবিলিটি’ শীর্ষক সেমিনারে জ্বালানি উপদেষ্টা এই অভিযোগ করেন।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বছরে ৫২ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি এবং রাজনৈতিক ও ব্যক্তি বিবেচনায় বিদ্যুতকেন্দ্র দেওয়ার অভিযোগ করে তিনি জানান, আগামী বছরের মধ্যে গ্যাসের খোঁজে ১৫০ কূপ খনন করা হবে।
উপদেষ্টা বলেন, সাময়িক সমাধান হিসেবে শিল্পখাতে জ্বালানির ঘাটতি মেটাতে ভোলা এলএনজি স্টেশন উন্মুক্ত করা হয়েছে। এটি একটি কোম্পানির কাছে কুক্ষিগত করে রাখা হয়েছিল।
উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা ছাড়া জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে প্রকিউরমেন্ট দেয়া হবে না। যে কারণে ২০১০ সালের কালো আইন বাতিল করে দেয়া হয় বলে জানান ফাওজুল কবির।
তিনি বলেন, ভালো উদ্যোক্তা হলে টাকা হাতবদলের প্রয়োজন নেই। এমনিই বিদ্যুৎ ও জ্বালানিখাতে ব্যবসা করতে পারবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রে সামনে যে প্রকল্পগুলো বাজারে আসবে, সেগুলোকে জমি দিয়ে দেয়া হবে।
আইপিপির পথে সরকার আর যাবে না জানিয়ে জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্ট করতে যাচ্ছে সরকার। প্ল্যান্ট থেকেই সরাসরি গ্রাহকের কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারবেন উদ্যোক্তারা।
অনুষ্ঠানে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে উল্লেখ করে বিশেষজ্ঞরা শীত ও গ্রীষ্মকালে অফিসের সময় পরিবর্তন এবং সন্ধ্যায় বিপনিবিতানে বিদ্যুত বন্ধের পরামর্শ দেন বক্তারা।








