এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, পিআর পদ্ধতি নিয়ে দেশের মানুষ এখনও জানে না, অথচ এটি জোর করে চাপানো হচ্ছে। তিনি যুক্তি দেখান, সাধারণ মানুষ সেই নেতা কর্মীদের ভোট দেবে যারা সুখ-দুঃখে মানুষের পাশে থেকেছে। ভারত ও ইংল্যান্ডেও পিআর পদ্ধতি কার্যকর হয়নি। আমাদের দেশেও এটি চালু হওয়া উচিত নয়।
বুধবার ২৭ আগস্ট বিকালে জামালপুরে দেওয়ানগঞ্জ গার্লস হাই স্কুল মাঠে দেওয়ানগঞ্জ-বকশিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, গতবছর ৫ আগস্টের রক্তঝরা আন্দোলন এবং ভয়ংকর দানবের পরাজয়ের পরও জাতীয় রাজনীতি এখনও স্থির হয়নি।
তিনি বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল মনে করেন, তারা একমাত্র আন্দোলন করেছে। অথচ আমাদের শত শত নেতা-কর্মী হত্যা, গুম ও বিভিন্ন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। জুলাই আন্দোলনের মাঠ তৈরি করেছে বিএনপি। যারা আন্দোলনে নিহত হয়েছেন, তাদের ত্যাগও কি বৃথা যাবে? জুলাই আন্দোলনের শহীদদের ত্যাগ বৃথা যাবে না।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, বর্তমান সরকার ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ও সচিবালয় দখল করেছে। নির্বাচন হলে এবং বিএনপি ক্ষমতায় আসলে তাদের সব শেষ হয়ে যাবে। তারা চাইছে শেখ হাসিনার দূর্নীতিপূর্ণ শাসন পুনরায় প্রতিষ্ঠা করতে।
শেখ হাসিনা ও সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পাশ্ববর্তী দেশে বসে থাকা এক ব্যক্তি এবং এস আলমের মাধ্যমে বড় অঙ্কের টাকা দেশের অভ্যন্তরে নাশকতার জন্য ব্যবহার হচ্ছে। তারা এখন ক্ষমতা ফিরি পেতে মরিয়া।
তিনি ভারতের পরিস্থিতি উল্লেখ করে বলেন, ভারতে বাংলাদেশি মুসলমানদের নিয়ে বৈষম্য চলছে, কিন্তু শেখ হাসিনাকে বিশেষভাবে সমর্থন দেওয়া হচ্ছে। এটি দিল্লীর দ্বিচারিতা।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে রিজভী বলেন, যারা সংগ্রাম করেছেন, যারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তারা কখনও চাঁদাবাজ বা দখলবাজ হবে না। যারা বসন্তের কোকিলের মতো নাম ভাঙিয়ে চলছে, তাদের সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই।
ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কঠিন লড়াই মোকাবিলা করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থেকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে।







