ঈদের ছুটিতে রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে একটি বাড়ি দখলের অভিযোগে সমালোচনার মুখে পড়া সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) আলী আহম্মেদ মাসুদকে বদলি করা হয়েছে।
সোমবার ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে তার বদলির তথ্য জানা যায়।
অভিযোগ রয়েছে, ছুটির সময় ফাঁকা থাকায় গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে গুলশান ১ নম্বর এলাকার ১২৭ নম্বর রোডের ১৫ নম্বর ওই বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও দখলের ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি পুলিশের সামনেই সংঘটিত হলেও উল্টো ভুক্তভোগীদেরই হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বাড়ির মালিকের অভিযোগ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) গুলশান জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আলী আহম্মেদ মাসুদ, গুলশান থানার এসআই মো. সামিউল ইসলাম, এসআই মো. আরমান আলীসহ গুলশান থানার বেশ কয়েকজন পুলিশের উপস্থিতিতে এবং তাদের মদদেই এ দখলের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার সহকারী পুলিশ কমিশনার আলী আহম্মেদ মাসুদকে ডিএমপির মানবসম্পদ বিভাগে (এইচআরডি) সহকারী পুলিশ কমিশনার (ট্রেনিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত অন্য পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে—তা নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।
ডিএমপি সূত্র জানায়, এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ডিএমপি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে মাসুদসহ অন্যান্য এ পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পুলিশের একটি সূত্রের দেওয়া তথ্যমতে, গত বছরের মে মাসে গুলশান থানার এসআই মো. সামিউল ইসলাম ৫০ লাখ টাকায় বাড়িটি দখলের চুক্তি করে। পরে একাধিকবার ওই বাড়িটি দখল করার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন তিনি। তবে এবার ঈদ ছুটিতে সুযোগ বুঝে দখলের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন তিনি।








