ঢাকা কেন্দ্রিক দর্শকরা ‘পরাণ’ ও ‘দিন দ্য ডে’ ছবি দুটি নিয়ে আলোচনা করছেন। তবে ঈদে মুক্তি পাওয়া আরেক ছবি ‘সাইকো’ নিয়ে সেই তুলনায় মাতামাতি কম হচ্ছে! সাইকো’র নায়ক রোশান দাবি করেন, তার ‘সাইকো’ ছবি ঢাকার বাইরে হিট!
চ্যানেল আই অনলাইনকে রোশান বলেন, অন্য দুই ছবির তুলনায় ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি দর্শক ‘সাইকো’ দেখছে। তিনি বলেন, শেরপুর ও দেওয়ানগঞ্জের দুটি সিনেমা হলে গিয়েছিলাম। নিজে উপলব্ধি করেছি দর্শকরা খুব আনন্দ করে সাইকো দেখছে।
অনন্য মামুনের পরিচালনায় নির্মিত হয়েছে ‘সাইকো’। রোশানের বিপরীতে অভিনয় করেন পূজা চেরী। এ ছবির মাধ্যমে রক্ত, বেপরোয়া’র পর তৃতীয়বারের মতো ঈদে মুক্তি পেয়েছে রোশানের ছবি। জানালেন, ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সে ‘সাইকো’ না চললেও যমুনা ব্লক বাস্টারে ভালো চলছে। তিনি বলেন, আজ (রবিবার) দুপুরে ব্লক বাস্টার কিছু টিকেট থাকলেও সন্ধ্যার শো-তে নেই।
‘সাইকো’ দেশের ১৭টি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে। মুঠোফোন আলাপে রোশান বলেন, ঢাকার বাইরের হলগুলোতে (সিঙ্গেল স্ক্রিন)-এ সাইকো ভালো চলছে এতে কোনো সন্দেহ নেই। এর পাশে অন্য কোনো সিনেমা নেই। তবে সিনেপ্লেক্সে ‘সাইকো’ না দিতে পারার কারণে আমরা হয়তো আলোচনায় একটু পিছিয়ে আছি।

”প্রতিদিন হল পরিদর্শনে যেতে পারছি না। ছবি ভিডিও পোস্ট দিতে পারছি না। তাই দর্শক হয়তো কম আলোচনা করছে।”
রোশান মনে করেন, এবারের ঈদের ছবি নিয়ে আলোচনা বেশি হচ্ছে সিনেপ্লেক্সে। নিয়মিত ছবির দর্শকরা ঠিকই ‘সাইকো’ দেখছে। তিনি বলেন, আগেই যদি প্রস্তুত করে ‘সাইকো’ সিনেপ্লেক্সে যেতো, তাহলে অন্য ছবির সঙ্গে আমাদেরটাও আলোচনা হতো। ঢাকার বাইরে যে হলগুলোতে ‘সাইকো’ চলছে, ভালো চলছে। এ কারণে দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে সাইকো’র হল বাড়বে।
২০১৬ সালে জাজ মাল্টিমিডিয়ার ‘রক্ত’ ছবি দিয়ে চলচ্চিত্রে আসেন রোশান। গত ছয় বছরে ‘বেপরোয়া’, ‘ককপিট’, ‘মেকাপ’ ছবিগুলো তাকে আলোচনায় আনে। ধীরে ধীরে রোশান পরিণত হয়ে ওঠেন। গেল ঈদে এ নায়কের ‘বৃহস্পতি অনেকটাই তুঙ্গে’ ছিল। শুধু সিনেমা হল বিজ্ঞাপন, ওটিটি, টেলিভিশন ও ইউটিউব- সবখানে তার কোনো না কাজ ছিল।
প্রতিটি মাধ্যমের দর্শক এসব কাজ উপভোগ করছেন বলে জানালেন রোশান। বলেন, সমসাময়িক অনেকেই বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ করে অভিজ্ঞতা নিচ্ছেন। আমি কেন পিছিয়ে থাকবো? শুরু থেকে ফিল্ম করছি। থিয়েটার করার সৌভাগ্য হয়নি। বিভিন্ন মাধ্যমের পরিচালক ও শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করছি। এগুলো দিয়ে নিজেকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছি।

রোশান বলেন, চেষ্টা করেছি ভিন্ন ভিন্ন ধাঁচের কাজ করার। এখন দেখি দর্শকরা কোন কাজটি কীভাবে গ্রহণ করেন। তবে আমি নিজের কাছে খুবই উচ্ছ্বসিত যে বাণিজ্যিক সিনেমা, ওটিটি ফিল্ম, টিভি, বিজ্ঞাপন, ইউটিউব সবখানে আমার কাজ থাকছে।
এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় আছে রোশানের এক গুচ্ছ সিনেমা। এই অভিনেতা নিজেই সময় নিয়ে গুনে বললেন, অপারেশন সুন্দরবন, রিভেঞ্জ, আশীবার্দ, জামদানী, প্রেম পুরাণ সিনেমা গুলো মুক্তি পাবে। শিগগির বড় দুটি সিনেমার ঘোষণা আসবে।








