হত্যার শিকার ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজিম আনারের আসনটির ভবিষ্যত নিয়ে অনিশ্চয়তায় নির্বাচন কমিশন। হত্যাকাণ্ডের ৩ সপ্তাহ পরও তার মরদেহ বা ডেথ সার্টিফিকেট না পাওয়ায় এ অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কমিশনার মোহাম্মদ আলমগীর তন্ন তন্ন করে সংবিধানের কোথাও খুঁজে পাননি মৃত্যুজনিত কারণে আসন শুন্য ঘোষণার কথা।
কোন সংসদ সদস্য মারা গেলে সংসদীয় আসনটি শুন্য ঘোষণা করে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন হয় এটাই নিয়ম। যেহেতু আনোয়ারুল আজিমের মরদেহ কিংবা ডেথ সার্টিফিকেট পাওয়া যায়নি তাহলে কতদিন ঝুলে থাকবে ঝিনাইদহ ৪ আসনের উপনির্বাচন?
সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডের পর আবিস্কার হলো, আসন শুন্য ঘোষণার জন্য একাধিক কারণ বলা থাকলেও মৃত্যুর কথাটি সংবিধানে নেই। তবে অবাক হতে হয় যে, স্থানীয় সরকার আইনে জনপ্রতিনিধির মৃত্যুজনিত কারণে আসন শুন্য করার কথাটি স্পষ্ট বলা আছে। ইসি বলছে, এই অমিামংসিত প্রশ্নের জবাব দেবে সংসদ।
একজন সংসদ সদস্য মারা গেলে, সেই আসনটি শুন্য ঘোষণা করেন স্পিকার, কিন্তু সবচে আশ্চর্ষের বিষয় সংবিধানের ১২৩ এবং ৬৭ অনুচ্ছেদে আসন শুণ্য হওয়ার জন্য কারণ হিসেবে উল্ল্যেখ আছে, কোন সংসদ সদস্য পাগল হয়ে গেলে, পদত্যাগ করলে, ৯০ কার্যদিবস পর্যন্ত সংসদে উপস্থিত না থাকলে এবং ৭০ অনুচ্ছেদে ফ্লোর ক্রসিং করলে ঐ এমপির আসন শুণ্য হবে। কিন্তু উল্লেখ নেই সংসদ সদস্যর মৃত্যুজনিত কারণটি।
তবে একজন সংসদ সদস্যর মৃত্যু হলে আসন শুন্য করার বিষয়টি সংবিধানে না থাকলেও স্থানীয় নির্বাচনে কি করে উল্লেখ থাকলো নির্বাচন কমিশনকে এসব বিষয় ভাবাচ্ছে।







