২০১৬ রিও অলিম্পিকে প্রথমবার শরণার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়। টোকিও অলিম্পিকেও ছিল ধারাবাহিকতা। প্যারিসেও যা বজায় রাখা হয়েছে। দেশের পরিচয় এবং জাতীয় পতাকাছাড়া মোট ৩৭ জন অ্যাথলেট অংশ নিচ্ছেন এবারের আসরে। ১২টি ভিন্ন ডিসিপ্লিনে পদকের জন্য লড়াই করবেন তারা।
দেশ কিংবা জাতীয় পতাকা না থাকলেও প্যারিস অলিম্পিক প্যারেডে শরণার্থী দলের পরিচয়বাহী একটি পতাকা থাকবে। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্যারিসের সেইন নদীতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শরণার্থী দলের পতাকা বইবেন সিন্ডি গাম্বা।
ক্যামেরুনে জন্ম নেয়া গাম্বা বর্তমানে দেশ-পরিচয়হীন। জানিয়েছেন, পদক জিততেই এসেছেন প্যারিসে।
‘শরণার্থীদের একটাই দল। আমরা অ্যাথলেট। সে সঙ্গে যোদ্ধা। আমরা সবাই ক্ষুধার্ত খেলোয়াড়। সবাই একটা পরিবার। আমাদের শরণার্থী হিসেবে দেখা হয়, সবকিছুর উপরে আমরা অ্যাথলেট। অন্যদেশের অ্যাথলেটদের মতো আমরাও জিততে এসেছি। পদক জয়ের ক্ষুধা আমাদেরও আছে।’
২০১৫ সালে প্রথমবার শরণার্থীদের অলিম্পিকে নেয়ার বিষয়ে পরিকল্পনা করা হয়। ২০১৬ সালে ব্রাজিলের রিও অলিম্পিকে কার্যকর করা হয়। সেবার ১০ জন অ্যাথলেট শরণার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন।








