শহীদ রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে দাফন করা হয়েছে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। বিপুল সংখ্যক জনসাধারণের উপস্থিতিতে তার জানাজা হয়েছে।
রাজধানীর জিয়া উদ্যানে আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল পাঁচটার কিছু আগে খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।
বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনের খবরটি দেশের সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও বিশেষভাবে প্রচার করে। একইসঙ্গে প্রতিবেশী দেশ ভারতের পাশাপাশি পাকিস্তানের অধিকাংশ প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমেও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ হিসেবে প্রচার করা হয়।
পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের খবরে বলা হয়, ‘রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়ার শেষকৃত্যে শোকাহত বাংলাদেশ।’
দ্যা এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের শিরোনাম ছিল: ‘খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয়ভাবে শোকাহত বাংলাদেশ, জাতির শ্রদ্ধাঞ্জলি।’
দ্যা ডন এর শিরোনাম ছিল: ‘রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়ার শেষকৃত্যে শোকাহত বাংলাদেশ।’
পাকিস্তান টুডের শিরোনাম ছিল: ‘বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘ অসুস্থতার পর ৮০ বছর বয়সে মারা গেছেন।’
পাকিস্তান অবজারভারের শিরোনাম ছিল: ‘বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘ অসুস্থতার পর ৮০ বছর বয়সে মারা গেছেন।’
দেশটির জনপ্রিয় ডেইলি টাইমসে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরের পাশাপাশি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও পাকিস্তানের পার্লামেন্টের স্পিকার আয়াজ সাদিকের বিষয়টি উল্লেখ করে বলা হয়, ‘ঢাকা সফরে জয়শঙ্কর পাকিস্তান এনএ স্পিকার আয়াজ সাদিকের সাথে দেখা করেছেন।’








