এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
শ্রীলঙ্কার অনেক ক্রিকেটার পাকিস্তানে থাকার বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন। দেশটিতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণের পর নিরাপত্তাজনিত কারণে একাধিক লঙ্কান খেলোয়াড় দেশে ফেরার জন্য বোর্ডকে অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু সেখানে সিরিজ খেলতে যাওয়া খেলোয়াড়দের কথা শোনেনি লঙ্কান বোর্ড। উল্টো জানিয়ে দিয়েছে, সিরিজের মাঝপথে ফিরলে বোর্ডের আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
পাকিস্তান সফরে শ্রীলঙ্কা ওয়ানডে সিরিজে তিনটি ম্যাচ খেলবে। প্রথম ম্যাচ হেরেছে সফরকারীরা, দুই ম্যাচ বাকি। একদিন পিছিয়ে ম্যাচ দুটি মাঠে গড়াবে ১৪ ও ১৬ নভেম্বর। আগের সূচিতে ম্যাচ ছিল ১৩ ও ১৫ নভেম্বর।
এর তিনদিন পর জিম্বাবুয়ে ও স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় টি-টুয়েন্টি সিরিজে নামবে শ্রীলঙ্কা। যার সব ম্যাচ হবে রাওয়ালপিন্ডিতে, লাহোরের ভেন্যু বাতিল করা হয়েছে।
পাকিস্তান সফরে থাকা বেশকিছু লঙ্কান ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফ দেশে ফেরার অনুরোধ জানিয়ে সাড়া পাননি। এসলসি এরমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, বোর্ড ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার আশ্বাস দিচ্ছে। দলকে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ম্যাচ চালিয়ে নিতে নির্দেশ দিচ্ছে। সফরকারী দলের সদস্য নির্দেশ অমান্য করলে বোর্ডের কড়া প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
পাকিস্তানে আগে তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে শ্রীলঙ্কার। ২০০৯ সালে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টেস্ট ম্যাচ খেলতে যাওয়ার পথে লঙ্কার টিম বাসে সন্ত্রাসী হামলা হয়। সে ঘটনায় ৬ শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার আহত হন ও ২ জন সাধারণ পথচারী নিহত হন। এরপর পাকিস্তানের মাটিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বন্ধ ছিল দীর্ঘ একযুগ।








