এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান বৃহস্পতিবার ইস্তানবুলে তৃতীয় দফার শান্তি আলোচনায় বসছে। আলোচনার উদ্দেশ্য হলো গত মাসের সীমান্ত সংঘর্ষের পর উত্তেজনা প্রশমিত করা।
বৃহস্পতিবার ৬ নভেম্বর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জিও নিউজ জানায় ,পাঁচ দিন আলোচনার পর একটি অস্থায়ী চুক্তি হয়েছে। অক্টোবর ২৫–৩১ পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার আলোচনায় পাকিস্তান আফগানিস্তানের দাবি ও সীমান্ত সন্ত্রাস নিয়ে সমস্যা হলে চুক্তি ভেঙে যায়। পরে মধ্যস্থতাকারীরা আবার আলোচনার সুযোগ দিলে চূড়ান্ত যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়।
গত দফার আলোচনার পরে তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, সকল পক্ষ যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার জন্য একটি মনিটরিং ও যাচাই ব্যবস্থা স্থাপন করবে এবং লঙ্ঘনকারীদের শাস্তি দেবে।
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জানিয়েছেন, আফগানিস্তানকে অঞ্চলের শান্তির জন্য বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘যদি কোনো অগ্রগতি সম্ভব না হয়, তবে এটি হবে সময়ের অপচয় মাত্র।’
পাকিস্তান সামরিক বাহিনী সীমান্তে তালেবান ও সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করেছে, যেখানে অনেককে আফগান নাগরিক হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া আফগানিস্তানে আফিম চাষ ও সন্ত্রাসী তহবিলের অভিযোগও উত্থাপিত হয়েছে।
ইসলামাবাদ-কাশ্মীর উত্তেজনা চলার পর পাকিস্তান সীমান্তে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, ২০০’র বেশি তালেবান যোদ্ধা নিহত হয়েছে, তবে ২৩ পাকিস্তানি সৈনিকও শহীদ হয়েছেন। পরে পাকিস্তান সামরিক বাহিনী আফগানিস্তানে আক্রমণ চালিয়ে সন্ত্রাসীদের আস্তানা ধ্বংস করেছে।
সীমান্ত সংঘর্ষের পরে পাকিস্তান তালেবানদের অস্থায়ী অগ্নিবিরতি প্রস্তাব মেনে নেয়। কাতারের মধ্যস্থতায় দোহায় আলোচনার পর চূড়ান্ত অগ্নিবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এরপর ইস্তানবুলে দ্বিতীয় দফার আলোচনার আয়োজন করা হয়। সেটিও ভেস্তে যায়।
তৃতীয় দফার আলোচনার লক্ষ্য হলো চুক্তি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং সীমানাপারী সন্ত্রাস ও উত্তেজনা কমানো।








