জনগণকে কনভিন্স করাই হচ্ছে বিএনপির ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এমনটাই জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ভিন্নমত থাকলেও সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চান বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের লক্ষ্য। জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি পরিচালিত হবে।
শনিবার নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেছেন তিনি। রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বিএনপির পক্ষ থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনোত্তর প্রেসব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেতে বিএনপির কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তারেক রহমান বলেন, আমাদের ইশতেহারের মাধ্যমে জনগণকে কনভিন্স করাই আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং।
এছাড়া, অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করা মূল প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখছেন তিনি।
ব্যবসা ক্ষেত্রে ধনী শ্রেণি আরও ধনী হয়ে উঠবে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা আমাদের অর্থনীতি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় পুনরূদ্ধার করবো। কোনো বিশেষ শ্রেণিকে আমরা প্রাধান্য দিবো না।
মানবিক ও গণতান্ত্রিক দেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ভিন্নমত থাকলেও সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই। জনগণের কাছে দেয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।
তিনি বলেন, কোথাও যাতে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি না ঘটে, সেজন্য নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে। কোনো অন্যায় বা বেআইনি কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করা হবে না।
কোনো বিরোধ যাতে প্রতিহিংসায় রূপ না নেয় সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে, নিরাপদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য সব দল মতের সমর্থন চাইলেন তারেক রহমান।


