অস্কার বাংলাদেশ কমিটি ৯৫তম অস্কারে প্রতিযোগিতার জন্য দেশের সিনেমা আহ্বান করেছে। নির্বাচিত সিনেমাটি বেস্ট ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম বিভাগে প্রতিযোগিতা করবে।
সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অস্কার বাংলাদেশ কমিটিতে জমা দিতে আগ্রহী পরিচালক-প্রযোজকের ছবিটি অবশ্যই বাংলা ভাষায় নির্মিত বাংলাদেশি চলচ্চিত্র হতে হবে। মনোনয়নের জন্য আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিনেমা জমা দিতে পারবেন আগ্রহী চলচ্চিত্র প্রযোজকরা।
মঙ্গলবার কমিটির সাবমিশন কো-অর্ডিনেটর আব্দুল্লাহ আল মারুফ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ নভেম্বরের আগ পর্যন্ত বাংলাভাষায় নির্মিত চলচ্চিত্র জমা দেওয়া যাবে এবার।
বাছাই প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার জন্য আগ্রহী চলচ্চিত্র প্রযোজকদের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘আশীর্বাদ চলচ্চিত্র’ (৭/৯ ইর্স্টান কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, ৭৩ কাকরাইল) থেকে ছবি জমার ফরম ও বিস্তারিত নিয়মাবলী সংগ্রহ করতে বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজের উদ্যোগে হাবিবুর রহমান খানকে চেয়ারম্যান করে ৮ সদস্যের অস্কার বাংলাদেশ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেসের আয়োজনে ২০২৩ সালের ১২ মার্চ ৯৫তম অস্কারের পুরস্কার বিতরণ হবে। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটারে ২৪টি শাখায় দেওয়া হবে এই পুরস্কার।
২০০৩ সালে তারেক মাসুদ পরিচালিত ‘মাটির ময়না’ ছবিটি সেরা বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে অস্কারে পাঠানো হয়েছিল। এরপর দুই বছর কোন বাংলাদেশি ছবি অস্কারের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেনি। ২০০৬ সাল থেকে প্রতি বছরই বাংলাদেশ থেকে একটি চলচ্চিত্র অস্কারের জন্য পাঠানো হচ্ছে। ২০০৬ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত অস্কারে পাঠানো সিনেমা তিনটি হচ্ছে হুমায়ূন আহমেদের শ্যামল ছায়া, আবু সাইয়ীদের নিরন্তর এবং গোলাম রাব্বানী বিপ্লবের স্বপ্নডানায়।
২০২০ সালে বাংলাদেশ থেকে অস্কারে পাঠানো হয় ১১ নির্মাতার অমনিবাস ছবি ‘ইতি, তোমারই ঢাকা’। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত এই সিনেমাটির ১১টি গল্প মূলত ঢাকা শহরে বাস করা এগারো ধরনের মানুষদের প্রতিনিধিত্ব করেছে। শহরের বুকে তাদের প্রত্যেকের জীবনযুদ্ধে টিকে থাকার যে যন্ত্রণা, তা দেখানো হয়েছে।








