সেমির দৌড়ে টিকে থাকার ম্যাচে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে শুরুতে চাপে পড়েছিল পাকিস্তান। বাবর আজমের ফিফটি ও সৌদ শাকিল-শাদাব খানের অনবদ্য জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় দলটি, শেষঅবধি লড়াইয়ের পুঁজিও জমিয়েছে পাকিস্তান।
চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরাম স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাটের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। ৪৬.৪ ওভারে ২৭০ রানে গুটিয়ে যায় তার দল।
শুরুটা ভালো হয়নি পাকিস্তানের। দুই ওপেনার ফিরে যান দলীয় ৩৮ রানে। পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলে আবদুল্লাহ শফিককে ফেরান মার্কো জানসেন। ১৭ বলে ৯ রান করেন শফিক। সপ্তম ওভারে ফের আঘাত হানেন জানসেন। ফেরান ইমাম উল হককে। ইমাম ১৮ বলে ১২ রান করে ফেরেন।
তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৫০ রান তোলেন বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। ১৫.৫ ওভারে রিজওয়ানকে ফেরান জেরাল্ড কোয়েটজি। ২৭ বলে ৩১ রান করেন পাকিস্তানের উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।
২৫.১ ওভারে চতুর্থ ব্যাটার হারায় পাকিস্তান। ৩১ বলে ২১ রান করে তাবরাইজ শামসির শিকার হন ইফতিখার আহমেদ। এক ওভার পর বাবরকেও ফেরান প্রোটিয়া স্পিনার। ৬৫ বলে ৫০ রান করে ফিরে যান পাকিস্তান অধিনায়ক।
১৪১ রানে পাঁচ ব্যাটার হারিয়ে চাপে পড়া পাকিস্তানের হাল ধরেন সৌদ শাকিল ও শাদাব খান। ৮৪ রানের জুটি গড়েন দুজনে। ৩৯.৪ ওভারে শাদাবকে ফেরান কোয়েটজি। ৩৬ বলে ৪৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন শাদাব। ৪২.১ ওভারে শাকিলকে নিজের তৃতীয় শিকার বানান শামসি। ৫২ বলে ৫২ রান করে ফিরে যান শাকিল।
২৫৯ রানে অষ্টম উইকেট হারায় পাকিস্তান। শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ফেরান শামসি। ৪ বলে ২ রান করেন আফ্রিদি। ৪৫.৫ ওভারে মোহাম্মদ নওয়াজকে তৃতীয় শিকার বানান জানসেন। পরের ওভারেই ২৭০ রানে পাকিস্তানকে গুটিয়ে দেন লুনগি এনগিদি। মোহাম্মদ ওয়াসিমকে ফেরান ডি ককের ক্যাচ বানিয়ে।
প্রোটিয়াদের হয়ে চারটি উইকেট নেন তাবরাইজ শামসি। মার্কো জানসেন তিনটি ও জেরাল্ড কোয়েটজি নেন দুটি, লুনগি এনগিদি নেন একটি উইকেট।








