চলতি মার্চ মাসে দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছে সরকার। চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ইতোমধ্যে ২ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার একটি অংশ দেশে পৌঁছাতে শুরু করেছে। পাশাপাশি আরও প্রায় ১ লাখ টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়াও শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
শনিবার ৭ মার্চ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব ও অপারেশন উইংয়ের প্রধান মনির হোসেন চৌধুরী জানান, দেশে মাসে প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেলের চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে বিপিসির মজুদে ১ লাখ টনের বেশি ডিজেল আছে। এর সঙ্গে নতুন আমদানিকৃত তেল যুক্ত হওয়ায় সরবরাহে কোনো ঘাটতি হবে না।
তিনি বলেন, আমদানিকৃত ডিজেলের কিছু চালান ইতোমধ্যে দেশে এসেছে, কিছু সমুদ্রে জাহাজে রয়েছে এবং বাকি অংশ পাঠানোর প্রক্রিয়ায় রয়েছে। ফলে মার্চ মাসে ডিজেলের সংকট হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
এছাড়া দেশে উৎপাদিত পেট্রোল ও অকটেন দিয়েই অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ হয় বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। তাই এই দুই জ্বালানির ক্ষেত্রেও কোনো ঘাটতির আশঙ্কা নেই।
তবে জ্বালানি বিভাগ মনে করছে, আতঙ্কে অতিরিক্ত জ্বালানি কিনতে গিয়ে অনেক বাইকার পেট্রোল পাম্পে ভিড় করছেন, যা কৃত্রিম সংকটের পরিস্থিতি তৈরি করছে। এই প্রবণতা বন্ধ হলে সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য স্বাভাবিক থাকবে।
এদিকে সিঙ্গাপুর থেকে দুটি এলএনজি কার্গো আমদানির ব্যবস্থা হওয়ায় গ্যাস সরবরাহেও আপাতত সংকটের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য প্রায় ৫০ দিনের ফার্নেস অয়েলের মজুদ থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদনেও কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়।







