চোট যেন নেইমারের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে থাকছে। প্রতিনিয়ত লড়াই করছেন ব্রাজিলীয় তারকা ফরোয়ার্ড। ৩৪ বছর বয়সে এসে পেশাদার ফুটবল থেকে বুটজোড়া শিগগিরই তুলে রাখার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না। তবে সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে আসন্ন ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলাই এখন সান্তোসের ‘রাজপুত্রে’র প্রধান লক্ষ্য।
ব্রাজিলের টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে নেইমার বলেছেন, ‘ভবিষ্যৎ আমার জন্য কী নিয়ে আসছে, তা জানি না। ডিসেম্বরেই অবসর নিতে চাইতে পারি। আমি দিন ধরে ধরে এগোচ্ছি। এই বছরটি খুব গুরুত্বপূর্ণ, শুধু সান্তোসের জন্য নয়, ব্রাজিল জাতীয় দল এবং আমার নিজের জন্যও।’
‘এই মৌসুমে শতভাগ ফিট হয়ে ফিরতে চেয়েছিলাম, এজন্যই কিছু ম্যাচে বিশ্রামে ছিলাম। অনেকেই নানা কথা বলছে, কিন্তু প্রতিদিনের বাস্তবতা তারা বোঝে না, আমাকে সেটার মুখোমুখি হতে হয়। শেষ ম্যাচে ভালোভাবে ফিরতে পেরেছি। আগের চেয়ে কিছুটা শক্তিশালী হয়ে মাঠে ফিরতে পেরে খুশি ও স্বস্তি বোধ করছি। অবশ্যই ছন্দ ফিরে পেতে সময় লাগবে, তবে ধৈর্য ধরে এগোলে শতভাগে পৌঁছাতে পারব। ধাপে ধাপে এগোচ্ছি। ভবিষ্যৎ কী হবে জানি না, আমার অনুভূতিই সিদ্ধান্ত নেবে। প্রতিটি দিন আলাদা করে এগোচ্ছি।’
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে হাঁটুর অস্ত্রোপচার করাতে হয়েছে নেইমারকে। এর আগে অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট বা এসিএল নামে পরিচিত চোটের কারণে প্রায় একবছর মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল। বয়স বাড়ার সঙ্গে চোটের সমস্যাও বেড়েছে, নিয়মিত খেলার ধারাবাহিকতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। নেইমারের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলা।


