নেপালে চলমান সংসদ নির্বাচনের প্রাথমিক ভোট গণনায় এগিয়ে রয়েছে সদ্য গঠিত রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা পার্টি (আরএসপি)। সাবেক র্যাপার ও রাজনীতিবিদ বালেন্দ্র শাহের নেতৃত্বাধীন দলটি দেশজুড়ে ৯৪টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত নেপালি কংগ্রেস একটি আসনে জয় পেয়েছে এবং আরও ১০টি আসনে এগিয়ে আছে। অন্যদিকে সিপিএন-ইউএমএল সাতটি আসনে এবং নেপালি কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থীরা নয়টি আসনে লিড ধরে রেখেছেন।
দেশজুড়ে মোট ১৬৫টি সরাসরি নির্বাচিত আসনে ৬৭টি রাজনৈতিক দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এখনো ভোট গণনা চলছে।
এরই মধ্যে মুস্তাং আসনে জয় পেয়েছেন নেপালি কংগ্রেস প্রার্থী যোগেশ গাউচান থাকালি। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৩০৭ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএন-ইউএমএলের ইন্দ্রধারা বিস্তা পেয়েছেন ১ হাজার ৮০৬ ভোট।
এদিকে জেনারেশন জেডের আন্দোলনের মুখে গত সেপ্টেম্বরে কে পি শর্মা ওলি সরকারের পতনের পর এটি নেপালের প্রথম সাধারণ নির্বাচন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ২টা পর্যন্ত যেসব আসনে ভোট গণনা চলছিল, তার মধ্যে ৯৪টির মধ্যে ৭০টিতেই এগিয়ে ছিল আরএসপি। অন্যদিকে নেপালি কংগ্রেস, সিপিএন-ইউএমএল এবং নেপালি কমিউনিস্ট পার্টি—প্রতিটি ছয়টি করে আসনে লিডে ছিল।
নির্বাচনটি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারতও। রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল হিমালয় রাষ্ট্রটিতে একটি স্থিতিশীল সরকার গঠনের আশা করছে দিল্লি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থে বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও জোরদারে নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা রয়েছে ভারতের। তিনি জানান, নেপালে শান্তি, অগ্রগতি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে ভারত সবসময়ই সমর্থন দিয়ে আসছে এবং নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তাও দিয়েছে।
এদিকে সাবেক কাঠমান্ডু মেয়র বালেন্দ্র শাহ ঝাপা-৫ আসনে চারবারের প্রধানমন্ত্রী ও সিপিএন-ইউএমএল চেয়ারম্যান কে পি শর্মা ওলির বিপক্ষে এগিয়ে আছেন। সকাল ১০টা পর্যন্ত শাহ পেয়েছেন ৬ হাজার ৯০ ভোট, আর ওলি পেয়েছেন ১ হাজার ২৪৮ ভোট।

