ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে গতবার প্রথম ফাইনালে উঠেছিল ইংল্যান্ড। ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চে শিরোপা জয়ের খুব কাছে গিয়ে ইতালির কাছে স্বপ্ন ভাঙে ইংলিশদের। এবার খালি হাতে ফিরতে চায় না গ্যারেথ সাউথগেটের দল। শিরোপার মঞ্চের আগে শেষ চারের লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ ২০ বছর পর সেমিতে ওঠা নেদারল্যান্ডস। মাঠের লড়াইয়ের আগে দেখে নেয়া যাক দুদলের পরিসংখ্যানের খতিয়ান।
জার্মানিতে চলতি ১৭তম ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে দ্বিতীয় সেমিতে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস। ৮১ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার সিগন্যাল ইদুনা পার্কে বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে মাঠের লড়াই।
২০০৪ সালে সবশেষ ইউরোর সেমিতে উঠেছিল নেদারল্যান্ডস। ইউরো জিতেছিল সেই ১৯৮৮ সালে। অবশেষে আবারও সেমিতে রোনাল্ড কোম্যানের দল। গ্রুপপর্বে অষ্ট্রিয়ার কাছে হারলেও পোল্যান্ডের সঙ্গে জয় ও ফ্রান্সের সঙ্গে ড্র করে সেরা ষোলোতে ওঠে ডাচ দল। নকআউট পর্বে রোমানিয়া ও তুরস্কের সঙ্গে জিতে সেমির টিকিট কাটে ভার্জিল ফন ডাইক বাহিনী।
টুর্নামেন্টে এপর্যন্ত শিরোপা জেতা হয়নি ইংল্যান্ডের। এবারের আসরও খুব একটা ভালো যাচ্ছে না তাদের। দলে সময়ের অন্যতম সেরা তারকাদের নিয়েও ইংল্যান্ডের হতশ্রী ফুটবল সমালোচনার মুখে পড়ছে। গ্রুপপর্বে সার্বিয়ার সঙ্গে জয় পেলেও ডেনমার্ক ও স্লোভেনিয়ার বিপক্ষে পয়েন্ট হারায় তারা। কোনরকমে শেষ ষোলোতে উঠে স্লোভাকিয়ার বিপক্ষে জয়ের পর কোয়ার্টারে সুইজারল্যান্ডকে টাইব্রেকারে হারিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে সেমিতে পা রেখেছে হ্যারি কেন বাহিনী।
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এপর্যন্ত ২২বার মুখোমুখি হয়েছে ইংল্যান্ড-নেদারল্যান্ডস। দুদলের মুখোমুখি লড়াইয়ে জয়ের পাল্লা ভারি ডাচদের। নেদারল্যান্ডসের ৭ জয়ের বিপরীতে ইংল্যান্ডের জয় ৬টিতে, তবে দুদলের বেশিরভাগ ম্যাচেই (৯) হয়েছে ড্র।
সবশেষ ২০১৯ সালে উয়েফা নেশন্স লিগের সেমিফাইনালে দেখা হয়েছিল দুদলের। ডাচদের কাছে ৩-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছিল হ্যারি কেন-মার্কাশ র্যাশফোর্ডরা, পাঁচ বছর পর ইউরোপ সেরার লক্ষ্যে আবারও ইংল্যান্ড-নেদারল্যান্ডস রোমাঞ্চ।








