বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সুবিধাজনক দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তারেক রহমানের হাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাঠানো চিঠিতে এ আমন্ত্রণের কথা উল্লেখ করা হয়। চিঠিটি তুলে দিয়েছেন দেশটির লোকসভার স্পিকার ওম বিরলা।
প্রধানমন্ত্রী মোদী তার বার্তায় লিখেন, ‘‘আমাদের বহুমুখী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতে আপনার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি’’
চিঠিতে মোদি লিখেন,
মহামান্য, বাংলাদেশে সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিজয় এবং বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার নিয়োগের জন্য আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এই উচ্চ দায়িত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়ে আপনার সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি।
আপনার এই বিজয় বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে আপনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন এবং শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির পথে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আপনার ভিশনের প্রতি তাদের ম্যান্ডেটের সুস্পষ্ট প্রকাশ।
মোদি লিখেন, ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক আমাদের অভিন্ন ইতিহাস, সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং শান্তি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে দুই দেশের জনগণের যৌথ আকাঙ্ক্ষার ওপর প্রতিষ্ঠিত। আমাদের নিজ নিজ উন্নয়ন অগ্রাধিকারের মধ্যে দৃঢ় সাযুজ্য ভবিষ্যৎ সহযোগিতার পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে।
দ্বিপাক্ষিক বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং সংযোগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য এগিয়ে নিতে আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি। দ্রুত বিকাশমান দুটি অর্থনীতি ও অগ্রসরমান সমাজ হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশ একে অপরের টেকসই প্রবৃদ্ধির অনুঘটক হতে পারে, পারস্পরিক নিরাপত্তায় কাজ করতে পারে এবং যৌথ সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারে।
এই সুযোগে আমি আপনাকে, ডা. জুবাইদা রহমান এবং আপনার কন্যা জাইমাকে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। ভারতে আপনাদের জন্য আন্তরিক অভ্যর্থনা অপেক্ষা করছে।
মহামান্য, আপনার সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য এবং বাংলাদেশের জনগণের অব্যাহত অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।


