ইস্ট জোনকে হারিয়ে বিসিএল-২০২৬ আসর শুরু করেছিল নর্থ জোন। দ্বিতীয় ম্যাচেও ধারাবাহিক নাজমুল হোসেন শান্তর দল। নাহিদ রানা ও এসএম মেহেরব হোসেনের দাপুটে বোলিংয়ে সাউথ জোনকে দেড়শ রানের আগেই গুটিয়ে দেয়। পরে লিটন দাসের ফিফটিতে ৬ উইকেটে জয় তুলে নিয়েছে নর্থ জোন।
বৃহস্পতিবার রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে টসে সাউথ জোনকে আগে ব্যাটে পাঠায় নর্থ জোন। ৩০.৫ ওভারে ১৪৪ রানে গুটিয়ে যায় নুরুল হাসান সোহানের দল। জবাবে নেমে ২৫.৪ ওভারে জয়ের বন্দরে নোঙর করে নর্থ জোন।
আগে ব্যাটে নামা সাউথ জোন টপঅর্ডারে ব্যর্থতা দেখেছে। ১৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে তারা। পঞ্চম উইকেটে মোহাম্মদ মিঠুন ও নুরুল হাসান সোহান মিলে ৫০ রান যোগ করেন। ৬৯ রানে সোহান ফিরে গেলে জুটি ভাঙে। ২৩ বলে ২৪ রান করেন সোহান।
ষষ্ঠ উইকেটে রবিউল হক ও মিঠুন মিলে যোগ করেন আরও ৫১ রান। দলীয় ১২০ রানে রবিউল আউট হলে জুটি ভাঙে। ২২ বলে ২৯ রান করেন রবিউল। এরপর ফের ধস নামে সাউথ জোনের ইনিংসে। মিঠুন একপ্রান্ত আগলে রাখলেও ২৪ রান যোগ করতেই অনপ্রান্তে টানা উইকেট হারিয়ে গুটিয়ে যায় সাউথ জোন। ৭৯ বলে ৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন মিঠুন।
নর্থ জোনের হয়ে নাহিদ রানা ও মেহেরব হোসেন ৩টি করে উইকেট নেন। শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ নেন দুটি করে উইকেট।
রানতাড়ায় নেমে ২৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় নর্থ জোন। হাবিবুর রহমান সোহান আউট হন ৬ বলে ১৪ রান করে। দুই বলের ব্যবধানে নাজমুল হোসেন খালি হাতে ফিরে যান। ৩৭ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় দলটি। তানজিদ তামিম ফিরে যান ১৩ বলে ১৮ রান করে।
চতুর্থ উইকেটে তাওহীদ হৃদয় ও লিটন দাস মিলে যোগ করেন ৮০ রান। দলীয় ১১৭ রানে হৃদয় আউট হলে জুটি ভাঙে। ৪৬ বলে ৩৩ রান করেন হৃদয়। পরে আকবর আলিকে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন লিটন। ২২ বলে ১৯ রান করেন আকবর। ৬৫ বলে ৫৫ রান করেন লিটন।
সাউথ জোন বোলারদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান ৩ উইকেট নেন। রবিউল হক নেন এক উইকেট।


