মিয়ানমারে সামরিক জান্তার দমন–পীড়ন ও সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে এবং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার পাশাপাশি জরুরি মানবিক সহায়তা পৌঁছাতেও বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের বিশেষ মানবাধিকার প্রতিবেদক টম অ্যান্ড্রুজ। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বৈশ্বিক রাজনীতির সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ—বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ—মিয়ানমার সংকটকে আরও গভীর করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টির আড়ালে ঠেলে দিতে পারে। তার মতে, বিশ্বের মনোযোগ যখন অন্য বড় সংঘাতের দিকে চলে যায়, তখন মিয়ানমারের মতো মানবিক সংকটে জর্জরিত দেশগুলো আরও বেশি উপেক্ষিত হয়ে পড়ে। ২০২১ সালে সেনা অভ্যুত্থানে নির্বাচিত বেসামরিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে সেনাবাহিনী দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই মিয়ানমারে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সশস্ত্র সংঘর্ষ এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বাড়তে থাকে। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে সামরিক বাহিনী ও প্রতিরোধ গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ চলমান থাকলেও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ, এই সংঘাতে সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী বেসামরিক মানুষ। গ্রামাঞ্চলসহ বহু এলাকায় বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ এবং অভিযান চালানোর অভিযোগ উঠেছে সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে।







