আইপিএল নিলাম থেকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। টাইগার পেসারকে নেয়ার পর ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক নেতারা চাপ তৈরি করে। চাপে ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে মোস্তাফিজকে বাদ দেয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। এরপর থেকে চ্যালেঞ্জের মুখে আছে কেকেআর। বিশেষ করে পেস বোলিং বিভাগে। ভারতের পেসার হর্ষিত রানা এবং আকাশ দীপ ২০২৬ মৌসুম থেকে ছিটকে গেছেন, আর শ্রীলঙ্কান মাথিশা পাথিরানা টুর্নামেন্টের শুরুর অংশে খেলতে পারবেন না।
কেকেআর ম্যানেজমেন্ট কৌশল নতুন করে সাজাচ্ছে। পেস অ্যাটাকে বিকল্প খোঁজা শুরু করেছে। আলোচনা আছে, আইপিএলে পুরো ৪ ওভার বোলিং করতে পারবেন না তাদের আরেক ভরসা ক্যামেরন গ্রিন। কারণ পুরনো চোটে অস্ট্রেলিয়া গ্রিনকে দিয়ে অল্প সময়ই বোলিং করান।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে মাংসপেশির চোটে পড়েছেন শ্রীলঙ্কান পেসার পাথিরানা। ছিটকে পড়ার পর ফিট হয়ে উঠতে পারেননি। আইপিএলে শুরুতে তাকে পাচ্ছে না কলকাতা। আসরের মাঝামাঝি সুস্থ হয়ে ফেরার সম্ভাবনা তার।
হাঁটুর চোটে অস্ত্রোপচার করিয়েছেন কলকাতার আরেক পেসার হর্ষিত রানা। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে গেলেও পরে আর খেলা হয়নি তার। পিঠের চোটে আসন্ন আসর থেকে ছিটকে গেছেন আকাশ দীপও।
মোস্তাফিজের জায়গায় জিম্বাবুয়ে পেসার ব্লেসিং মুজারাবানিকে টেনেছে কেকেআর। পিএসএলে না খেলে সেসময় কেকেআরে খেলতে আসবেন তিনি, এতে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।
দলটির বোলিং বিভাগ দেখে মজার ছলে ভারতের সাবেক অলরাউন্ডার রবীচন্দ্র অশ্বিন বলেছেন, ‘আমার মনে হয় না কেকেআরের বোলিং বিভাগ দেখে প্রতিপক্ষরা চিন্তায় পড়ে যাবে।’
‘আমার মনে হয়, রহস্যের সেই আমেজ, নতুনত্বের আকর্ষণ এবং ভয়ের সেই বিশেষ দিকটা উধাও হয়ে গেছে। আগে ব্যাটারদের বিশ্লেষণ রুমে যেতে হতো, বোলারের হাতের দিকে তাকিয়ে থাকত, অথবা শুধু একটা রান নেয়ার চেষ্টা করত। তবে বরুণ চক্রবর্তীর উপরে বেশ দায়িত্ব থাকবে।’








