শেষ ওভারে জয়ের জন্য করাচি কিংসের দরকার ছিল ১৪ রান। তবে ১৯তম ওভারের শেষে টেম্পারিংয়ের অভিযোগ এনে বল পরিবর্তন করেন আম্পায়ার। তাতে ৫ রান জরিমানা দিতে হয় লাহোর কালান্দার্সকে। এতে সমীকরণ দাঁড়ায় ৬ বলে ৯ রান। আর হারিস রউফের তৃতীয় বলেই করাচিকে লক্ষ্যে পৌঁছান আব্বাস আফ্রিদি।
এমসিসিরি ৪১.৩ ধারা অনুযায়ী আম্পায়ার যদি মনে করেন ফিল্ডিং দল ইচ্ছাকৃতভাবে বলের কন্ডিশন বা আকার পরিবর্তন (বল টেম্পারিং) করেছে, তবে আম্পায়াররা বল পরিবর্তন করতে পারেন এবং ব্যাটিং দলকে ৫ রান পেনাল্টি হিসেবে প্রদান করতে পারেন। এই অপরাধের জন্য দায়ী বোলারকে বোলিং থেকে নিষিদ্ধও করা যেতে পারে।
পিএসএল চলতি আসরে হায়দরবাদ কিংসম্যানকে ৬৯ রানে হারিয়ে শুরু করে লাহোর। দ্বিতীয় ম্যাচে করাচির বিপক্ষে সংগ্রহটা খুব একটা বড় করতে পারেনি তারা। তবে মোস্তাফিজুর রহমান ও শাহিন শাহ আফ্রিদির দাপুটে বোলিংয়ে লড়াই করেছিল কালান্দার্স। শেষঅবধি পরাজয় এড়াতে পারেনি। ৪ উইকেটে দারুণ জয় তুলে নিয়েছে করাচি।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাটে নামে স্বাগতিকরা। নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেটে ১২৮ রানের সংগ্রহ গড়ে শাহিন শাহ আফ্রিদির দল। জবাবে নেমে ৩ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে করাচি।
লাহোর জার্সিতে অভিষেক হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমনের। অবশ্য আলো ছড়াতে পারেননি। ১ ছক্কায় ১২ বলে ১২ রান করে আউট হন। স্বাগতিক ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন আব্দুল্লাহ শফিক। এছাড়া হাসিবুল্লাহ খান ২৮, সিকান্দার রাজা ১৯ রান করেন। মোস্তাফিজুর রহমান ব্যাটের সুযোগ পেয়ে ১ বলে ১ রানে অপরাজিত থাকেন।
করাচি বোলারদের মধ্যে মঈন আলি, মীর হামজা ও অ্যাডাম জাম্পা দুটি করে উইকেট নেন।
রানতাড়ায় নেমে সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেন মুহাম্মদ ওয়াসিম। সাদ বেগ ১৯, মঈন আলি ১৮ এবং আজম খান ১৪ রান করেন। শেষ দিকে ২ বলে ১০ রান করে জয় নিশ্চিত করেন আব্বাস।
মোস্তাফিজ ৪ ওভারে ২০ রান খরচায় ১ উইকেট নেন। শাহিন আফ্রিদি ৪ ওভারে ১৮ রান খরচায় নেন ৪ উইকেট। এছাড়া হারিস রউফ নেন ১ উইকেট।








