কুমিল্লায় যৌথ বাহিনীর হেফাজতে যুবদল নেতা তৌহিদুল ইসলামের মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা করেছেন তার স্ত্রী ইয়াসমিন নাহার। সদরের কোতয়ালি থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন তিনি। ছয় জনের নাম এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আজ (৫ ফেব্রুয়ারি) বুধবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বিবিসি বাংলা জানিয়েছে, এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, বিবাদীরা জায়গা-জমির বিরোধের জেরে আক্রোশান্বিত হয়ে পরস্পরের যোগসাজশে পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে আমার স্বামীকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটক রেখে মারধর করে হত্যা করে।
গত ৩১শ জানুয়ারি কুমিল্লায় যৌথ বাহিনীর হাতে আটক হয়ে হেফাজতে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয় সেনা ক্যাম্পের কমান্ডারকে প্রত্যাহার করে ‘উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি’ গঠনের কথা জানিয়েছিল আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর বা আইএসপিআর।
নিহত তৌহিদুল ইসলামকে শুক্রবার পুলিশ অসুস্থ অবস্থায় পেয়েছিলো উল্লেখ করে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন জানিয়েছিলেন, অসুস্থ অবস্থায় পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেছি। সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন। এখন পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ পাওয়া যাবে।
নিহত তৌহিদুল ইসলাম কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ছিলেন বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।








