রবীন্দ্রত্তোর বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ নাট্যকার সেলিম আল দীনের প্রয়াণ দিবস নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ।
২০০৮ সালের এই দিনে উপমহাদেশের এ বরেণ্য নাট্যকার মারা যান। তিনি ছিলেন ঢাকা থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
দিবসটি উপলক্ষে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ থেকে সকাল সাড়ে ১০টায় একটি স্মরণযাত্রা সেলিম আল দীনের সমাধিস্থলে গিয়ে শেষ হয়। স্মরণযাত্রায় নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের ব্যক্তিবর্গ, সেলিম আল দীনের স্বজনেরা অংশগ্রহণ করেন।
পরে নাট্যকার সেলিম আল দীনের প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা জানায় বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার ও ঢাকা থিয়েটার। চার দিনব্যাপী রয়েছে সেলিম স্মরণোৎসব। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার ও ঢাকা থিয়েটারের উদ্যোগে আগামি ১৭ জানুয়ারি রয়েছে সেলিম আল দীন রচিত নাটক ‘নিমজ্জন’-এর প্রদর্শনী। নাসির উদ্দিন ইউসুফ নির্দেশিত নাটকটি এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বাংলাদেশি শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় প্রদর্শিত হবে।
১৮ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে অনুষ্ঠিত হবে ‘যুগচলতি রীতিবিরোধী কথাকারুকার: সেলিম আল দীন’ শিরোনামে সেমিনার। যেখানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করবেন স্বকৃত নোমান। ১৯ জানুয়ারি রাত ১০টায় বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার ও ঢাকা থিয়েটার এর ফেসবুকে পেজে প্রচারিত হবে সেলিম আল দীনকে নিয়ে নির্মিত ভিডিও চিত্র ‘বহুমাত্রিক সেলিম আল দীন’, যেখানে খ্যাতিমান এই নাট্যকারের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে তুলে ধরা হবে।
১৯৪৯ সালে ১৮ আগস্ট ফেনীর সোনাগাজিতে জন্মগ্রহণ করেন সেলিম আল দীন। ১৯৭৪ সালে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। তার হাত ধরেই ১৯৮৬ সালে যাত্রা শুরু করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ।
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি রাজধানীর একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন রবীন্দ্রত্তোর শ্রেষ্ঠ এই নাট্যকার। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।








