দেশের বাইরে আরেকটি টেস্ট জয় বাংলাদেশের। মাঠে টানা কয়েকমাসের ব্যর্থতা কাটিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে ১৫ বছর পর টেস্ট জিতেছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। ম্যাচ শেষে জয়ের রেসিপিও জানালেন অলরাউন্ডার মিরাজ।
নিয়মিত অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত চোটে না থাকায় সফরে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মিরাজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজে সবশেষ তিন সফরের অভিজ্ঞতা বলে, ক্যারিবীয় সফর বাংলাদেশের জন্য ভীষণ কঠিন। এবারও ২০১ রানে হেরে শুরু হয় বাংলাদেশ ও মিরাজের। দ্বিতীয় টেস্টে ঘুরে দাঁড়িয়ে ১০১ রানের জয় তুলে নিয়েছে টিম টাইগার্স।
দ্বিতীয় টেস্টেও টসে জিতে আগে ব্যাটিং নিয়ে ১৬৪ রানে গুটিয়ে যায় লাল-সবুজের দল। এরপরই ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু। অভাবনীয় সেই লড়াইয়ের পথ ধরে চতুর্থ দিন বিকেলে জয়ের বন্দরে নোঙর করে টিম টাইগার্স।
কিংসটন টেস্ট শেষে মিরাজ বলেছেন, ‘আমরা যখন দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে গিয়েছিলাম, নিজেদের মধ্যে কথা হচ্ছিল। বিশেষ করা একটা কথা সবাইকে বলছিলাম যে, এই উইকেটে জয় ছাড়া অন্যকিছু ভাবা কঠিন। কারণ আমরা যেহেতু লিড পেয়েছি, এখানে আমাদের রান করাটা খুব জরুরি। আগেই ধারণা ছিল আড়াইশর বেশি রান করতে পারলে ম্যাচটা জেতা সজহ হবে। সবার প্রতি একটাই বার্তা ছিল- পজিটিভ খেলার।’
‘সৌরভ ভাই (মুমিনুল) অসুস্থ হওয়ার পর দলের সবাই হতাশ হয়ে পড়েছিল। ওই জায়গায় (পজিশন) ব্যাটিং করাটা একটু কঠিন। কিন্তু দীপুকে (শাহাদাত) বলেছিলাম, ও রাজি হয়েছে। ওকে একটা কথা বলেছিলাম, এই উইকেটে তুমি ইতিবাচক খেলো। যদি মনে করো প্রথম বলটাই মারার, তুমি প্রথম বলেই মারো। তোমাকে কেউ কিছু বলবে না। তোমাকে অভয় দিলাম। ও সেভাবেই খেলেছে। ওর ২৮টা রান খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’
‘আমিও চারে একই মানসিকতা নিয়ে খেলেছি। কারণ এই উইকেটে রানটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। খেলোয়াড়দের প্রতি বার্তাটাই এটা ছিল, ১টা রানও খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রতিটি খেলোয়াড় যেন রানের জন্য ক্রিকেট খেলে। এর মানে এই না যে টেস্ট ক্রিকেট, ঠেকাব। আমাদের পরিকল্পনাটা এমনই ছিল।’








