খেলার মাঠের সংকট কাটাতে নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে দুটি বড় মাঠ তৈরির পাশাপাশি প্রতিটি ওয়ার্ডে ফুটসাল খেলার সুবিধা নিশ্চিত করা হবে, যেন সব বয়সের মানুষ সহজেই খেলার সুযোগ পায়।
সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শনিবার সারাদেশের শহর ও গ্রাম অঞ্চলে খেলার মাঠ নির্ধারণ, উন্নয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই পরিকল্পনার কথা জানান।
সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক জানিয়েছেন,‘প্রতিটি ওয়ার্ডে ফুটসাল খেলার সুবিধা নিশ্চিত করা হবে, যেন সব বয়সের মানুষ সহজেই খেলার সুযোগ পান। মাঠের জায়গা খুঁজে বের করতে প্রয়োজনে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করা হবে। যেখানে পর্যাপ্ত জায়গা নেই, সেখানে অন্তত দুটি ওয়ার্ডের মাঝখানে একটি খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নেয়া হবে। যদি তাতেও জায়গা পাওয়া না যায়, তবে তিনটি ওয়ার্ডের সমন্বয়ে একটি বড় খেলার মাঠের স্থান নির্ধারণ করা হবে।’
বর্তমান প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ফুটসাল। বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসরই বাজিমাত করেছে শিরোপা জিতে। এ খেলার প্রসারে প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে ডেডিকেটেড ফুটসাল মাঠ তৈরি করার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।
ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে খেলার মাঠের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সিটি কর্পোরেশন, গণপূর্ত বিভাগ এবং বিভিন্ন স্কুলের অধীনে থাকা খালি জায়গাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সেগুলো শিশুদের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী প্রতিটি এলাকায় শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত খেলার সুযোগ নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর। মাঠগুলোকে শুধু খেলার জন্য নয়, বরং সব বয়সী মানুষের জন্য উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। মাঠের চারপাশে সুন্দর ওয়াকওয়ে বা হাঁটার রাস্তা তৈরি করা হবে যেন বয়োজ্যেষ্ঠরা নিরাপদ পরিবেশে সকালে ও বিকেলে হাঁটাচলা করতে পারেন।’
সভায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর পরামর্শে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি এবং উপজেলা সদরে একটি করে খেলার মাঠ নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। মাঠ নির্বাচনে কোন ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব বা ব্যক্তিগত তদবিরকে প্রশ্রয় না দিয়ে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়ার নির্দেশ দেন তিনি।








