বেশ কয়বার রুবেন আমোরিমের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ভেতরেই। দলের খারাপ সময়গুলোতে আলোচনায় আসে, বরখাস্ত হতে পারেন পর্তুগীজ কোচ। তার দাবি অবশ্য দলের কোন সিদ্ধান্তে উচ্চপদস্থদের হস্তক্ষেপ থাকে। বলেছেন, দলের কোচ না ম্যানেজার হতে এসেছেন।
আমোরিম বারবার বলেছেন, ১৮ মাসের মধ্যে তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে, নিজে থেকে পদত্যাগ করার প্রস্তুতি নেবেন। এটাও ইঙ্গিত দিয়েছেন, তিনি ইউনাইটেডের সিনিয়র ব্যক্তিত্বদের থেকে কোচের দায়িত্বে অবাঞ্ছিত হস্তক্ষেপের সম্মুখীন হয়েছেন।
রোববার লিডস ইউনাইটেদের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্রয়ের পর কথা বলেন আমোরিম। বলেছেন, ‘লক্ষ্য করেছি, আপনারা (সাংবাদিক) সবকিছু নিয়ে একদম বাছাই করা তথ্য পান। তাই আপনাদের বলি, এখানে এসেছি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ম্যানেজার হতে, শুধুমাত্র কোচ হতে নয়।’
ফুটবলে যে দলের কোচ, তাকেই দলের ম্যানেজার বলা হয়। দলের যাবতীয় কাজের দায়িত্ব তার হাতে থাকে। এরপর আমোরিম বলেন, তাকে শুধু দলের ট্রেনিং ব্যতিত অন্য কোনকিছুতে অগ্রাধিকার দেয়া হয় না। বরং সেগুলোর সিদ্ধান্ত ক্লাবের অন্য কর্মকর্তারা নেন।
‘আমি জানি, আমার নাম থমাস টুখেল নয়, আন্তোনিও কন্তে নয়, হোসে মরিনহোও নয়, কিন্তু আমি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ম্যানেজার। আর এটা এমনই থাকবে ১৮ মাস। আমার কাজ করব, আর বাকি প্রতিটি বিভাগ, স্কাউটিং বিভাগ, স্পোর্টিং ডিরেক্টর, তাদের কাজ করবে। আমি ১৮ মাস আমার কাজ করব, তারপর দেখা যাবে।’
‘এটুকুই বলার ছিল আমার। এটা দিয়েই শেষ করতে চাই। এখন পদত্যাগ করছি না। অন্যকেউ এসে আমাকে বদলানো পর্যন্ত আমার কাজ করে যাব। এটা ১৮ মাসের মধ্যেই শেষ হবে, তারপর সবাই এগিয়ে যাবে। এটাই ছিল চুক্তি। এটাই আমার কাজ। কোচ হওয়া নয়, ম্যানেজার হওয়া।’
‘বাইরের সমালোচনা সামলাতে না পারলে ক্লাবেরই পরিবর্তন দরকার। মানুষ যদি গ্যারি নেভিলদের মতো সমালোচক আর সবকিছুর সমালোচনা সহ্য করতে না পারে, তাহলে আমাদের ক্লাবটাই বদলাতে হবে।’
১৮ মাসের মেয়াদ অনুযায়ী ২০২৭ সালের জুন মাস পর্যন্ত রেড ডেভিলদের সাথে আমোরিমের চুক্তির আছে।







