গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মুহাম্মদ রাশেদ খান বলেছেন, উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ইসলামি শক্তিকে সহ্য করতে পারছেন না। আলেম-ওলামা মাদরাসা শিক্ষার্থীদের নিয়ে তিনি কটাক্ষ করেছেন। মাহফুজ আলম জাতীয় ঐক্য সংহতি পুরোপুরি ধ্বংস করেছেন। তিনি একজন বিতর্কিত ব্যক্তি, এরকম বিতর্কিত ব্যক্তি কোনভাবেই সরকারের উপদেষ্টা পদে বহাল থাকতে পারেন না। আমরা তার পদত্যাগ দাবি করছি।
আজ মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) গণঅধিকার পরিষদের জরুরি ব্রিফিং এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা মাহফুজ সম্পর্কে রাশেদ খান আরও বলেন, মাহফুজ আলম কখনো হেফাজত কখনো জামায়াতে ইসলামির বিরুদ্ধে বক্তব্য দিচ্ছেন। কখনো বিএনপি, কখনো গণঅধিকার পরিষদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিচ্ছেন। সরকারের এই মুখপাত্র, তার দায়িত্ব কি অনৈক্য সৃষ্টি করা? তিনি যদি এত তাত্বিক জ্ঞান ফলাতে চান, তাহলে পদত্যাগ করে এ জ্ঞানের ভাণ্ডার খুলে বসেন না কেন?
রাশেদ খান আরও বলেন, মাহফুজ আলম ইসলামি শক্তিকে সহ্য করতে পারছেন না। আলেম-ওলামা মাদরাসা শিক্ষার্থীদের নিয়ে তিনি কটাক্ষ করেছেন। যে কারণে হেফাজতে ইসলাম বিবৃতি দিয়েছে। বিশেষ করে শাফলা চত্ত্বর নিয়ে তিনি একটি নতুন বয়ান তৈরি করেছেন। জামায়াতে ইসলাম নিয়ে তিনি কটাক্ষ করেছিলেন। যে কারণে জামায়াত বিবৃতি দিয়েছে। তিনি এভাবে অনক্য সৃষ্টি করছেন। এরকম নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী গণঅভ্যুত্থানের শক্তির মধ্যে বিভাজন সৃষ্টিকারী ব্যক্তি কীভাবে উপদেষ্টা পরিষদে বহাল থাকে আমি প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রশ্ন তুলছি, আপনি কি তাকে এ দায়িত্ব দিয়েছেন?
মুহাম্মদ রাশেদ খান বলেন, ড. মুহাম্মদু ইউনূস সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করতে হবে। প্রয়োজন নতুন নিরপেক্ষ সরকার সগঠন করতে হবে।








