আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসির ২০০৪-০৫ মৌসুমের পানিনি মেগা ক্র্যাক্স রুকি কার্ডটি বিক্রি হয়েছে ১.৫ মিলিয়ন ডলারে। যা মেসির বার্সেলোনায় দীর্ঘ ক্যারিয়ারে মূল দলে খেলা প্রথম মৌসুমের সময়ে বানানো। মেসি সেই মৌসুমে কাতালুনিয়ান ক্লাবটিতে খেলেছিলেন ২৬ ম্যাচ।
রুকি কার্ডটি বেসরকারি ফ্যানাটিক্স কালেক্টর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিক্রি হয়েছে। এটিকে পেশাদার স্পোর্টস প্রমাণকারী (পিএসএ) গ্রেডার দ্বারা নিখুঁত ১০-এ মূল্যায়ন করা হয়েছে।
এটি এখন বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবল কার্ড। এর আগে ১৯৫৮ সালের পেলের একটি কার্ড ২০২২ সালে বিক্রি হয়েছিল ১.৩৩ মিলিয়ন ডলারে। যার একটি অনুলিপি বিক্রি হয়েছিল ১.১ মিলিয়নে। যেটিও পিএসএ গ্রেডার দ্বারা নিখুঁত ১০-এ মূল্যায়িত।
ফ্যানাটিক্স কালেক্টের নেটওয়ার্কটি এসব কার্ড বিক্রি করে থাকে। চলতি বছরের আগস্টে ৩০-৪০টি কার্ড বিক্রি করে তারা আয় করেছে ৮ মিলিয়ন ডলার।
প্রতিষ্ঠানটি চাহিদার ভিত্তিতে, পিএসএ মেসির গ্রেডিংকৃত ৭১ নম্বরের কার্ডটির আরও ৮৩৮টি অনুলিপি করেছে। রুকি কার্ড একজন অ্যাথলেটের ক্যারিয়ারের শুরুর সময়টাতে ফিচার করা হয় তার সম্ভাব্য উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে। পরে সেই খেলোয়াড়টি অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছালে তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের কার্ডটিও চড়ামূল্যে পৌঁছায়।







