এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিন এরদোগান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পকে এক চিঠিতে গাজার শিশুদের দুর্দশার বিষয়টি উত্থাপন করার আহ্বান জানিয়েছেন। গত শুক্রবার তিনি মেলানিয়া ট্রাম্পকে এই চিঠি পাঠান।
এই চিঠিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সাথে যোগাযোগ করে গাজার মানবিক সংকট নিরসনের অনুরোধ করার জন্য সরাসরি মেলানিয়াকে আহ্বান জানিয়েছেন তুর্কি ফার্স্ট লেডি।
রোববার ২৪ আগস্ট সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানায়।
এমিন এরদোগান চিঠিতে লেখেন, ইউক্রেন এবং রাশিয়ার শিশুদের অবস্থা সম্পর্কে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে পাঠানো মেলানিয়ার চিঠি থেকে তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছেন।
তিনি মেলানিয়া ট্রাম্পের প্রশংসা করে লেখেন, আপনার চিঠিতে প্রতিটি শিশুরই একটি প্রেমময় এবং নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সর্বজনীন অধিকার রয়েছে। এই অধিকার কেবল কোনও অঞ্চল, জাতি, ধর্ম বা আদর্শের জন্য নয়। বঞ্চিত নিপীড়িতদের সমর্থন করা আমাদের একটি মৌলিক দায়িত্ব।
এমিন আরো বলেন, এই প্রেক্ষাপটে একজন নেতার স্ত্রী হিসেবে ইউক্রেনের যুদ্ধের ধ্বংসাত্মক প্রভাবে পরিবারহীন, মাতাপিতাহীন শিশুদের প্রতি আপনার সহানুভূতি এমন একটি উদ্যোগ যা আমাদের হৃদয়ে আশা জাগিয়ে তোলে।
তিনি আরও লেখেন, যেভাবে আপনি ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারানো শিশুদের জন্য সংবেদনশীলতা দেখিয়েছেন, একই সংবেদনশীলতা গাজার শিশুদের জন্যও দেখান। প্রতিটি শিশুর হৃদয়ে একই স্বপ্ন থাকে যে, সে যেখানেই জন্মগ্রহণ করুক না কেন তারা প্রেম, সম্ভাবনা এবং বিপদ থেকে সুরক্ষা পাবে।
খাদ্যনিরাপত্তাবিষয়ক প্যানেলের (আইপিসি) দেওয়া ওই প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে, যে গাজা নগরীতে দুর্ভিক্ষ চলছে। এতে আরও সতর্ক করে বলা হয়েছে, আগস্টের মাঝামাঝি থেকে সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত ৬ লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হবে।
এর আগে জাতিসংঘের দুর্ভিক্ষের আশংকার ঘোষণা “সম্পূর্ণ মিথ্যা” বলে উড়িয়ে দিয়েছেন নেতানিয়াহু।
২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন যুদ্ধে ৬২,০০০ এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।








