প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় অর্ধ লক্ষ সহকারী শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম আটকে দিলেন হাইকোর্ট।
তৃতীয় ধাপের ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষাসহ নিয়োগের কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে এই পরিক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা তদন্ত করে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া প্রশ্ন ফাস বিষয়ে বিবাদীদের নিস্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনী ঘোষণা করা হবে না এবং নতুন করে পরীক্ষা গ্রহনের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত।
এক রিটের শুনানি শেষে মঙ্গলবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এসএম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেয়। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি দাস।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের তৃতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষা গত ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রামের ২১ জেলার সাড়ে তিন লাখ পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এই পরীক্ষা চলাকালে প্রশ্নের উত্তরপত্র ও ডিভাইসসহ মাদারীপুরে সাতজন ও রাজবাড়ীতে একজন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। এই ঘটনায় দুই জেলায় আলাদাভাবে মামলা হয়। প্রশ্ন ফাসের অভিযোগ ওঠার পরেও গত ২১ এপ্রিল রাতে ফল প্রকাশ হয়। যেখানে ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয় যাদের ভাইভা পরীক্ষা চলমান। তবে প্রশ্ন ফাসের অভিযোগে এই পরীক্ষা বাতিল চেয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৫ জন হাইকোর্টে রিট করেন।







