ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভূঁইয়া) আসনে স্বতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মনোনয়ন নিয়েছিলেন যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ মাসুদ। কিন্তু তার সমর্থনকারী হিসেবে স্বাক্ষর করা ভোটার আনোয়ারাকে মৃত দাবি করে গত ৪ জানুয়ারী মাসুদের মনোয়ন বাতিল ঘোষণা করেন ফেনী জেলা প্রাশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক।
এই আদেশের আপিল শুনানিতে রবিবার মৃত দাবি করা সেই ভোটার আনোয়ারা হাজির হয়েছেন নির্বাচন কমিশনে। মৃত ভোটারকে জীবিত দেখার পর যাচাই বাছাই শেষে খালেদ মাহমুদ মাসুদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশন। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে আপিল শুনানি শেষে এ সিদ্ধান্ত দেয় কমিশন।
খালেদ মাহমুদ মাসুদ বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ৫ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর দেওয়ার নিয়ম অনুযায়ী আমি আনোয়ারা বেগম নামের একজন ভোটারের স্বাক্ষর জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আমার বিরুদ্ধে মৃত আনোয়ারা বেগমের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগ তুলে আমার মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করেন। অথচ যেই আনোয়ারাকে মৃত দাবি করা হচ্ছে, তিনি স্বাক্ষরই দিতে পারতেন না। তিনি আঙ্গুলের ছাপ ব্যবহার করতেন। তাই আমি মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করি। আপিল শুনানীতে মৃত দাবী করা আনোয়ারা বেগম কমিশনে হাজির হয়ে প্রমান দিয়েছেন তিনি মরেননি। পরে নির্বাচন কমিশন স্বাক্ষর যাচাই করে আমার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছেন।
প্রসঙ্গত, ফেনী-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দলের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু। এই আসনে জামায়াতে ইসলামী থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক।
তবে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে আব্দুল আউয়াল মিন্টুর মনোনয়ন বাতিলে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেন জামায়াত প্রার্থী। আপিল শুনানি শেষে কমিশন জামায়াত প্রার্থীর আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন।








