নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে প্রথমটিতে জয়ের পর দ্বিতীয়টিতেও অপ্রতিরোধ্য শ্রীলঙ্কা। গলে বোলারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নিউজিল্যান্ডকে ইনিংস ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজ জিতে নিয়েছে লঙ্কান দল। ১৫ বছর পর কিউইদের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেয়েছে তারা। সবশেষ ২০০৯ সালে ঘরের মাঠে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করেছিল কিউইদের।
গলে ইনিংস ও ১৫৪ রানে জিতেছে শ্রীলঙ্কা। ৬ বছর পর ইনিংস ব্যবধানে পরাজয় দেখেছে নিউজিল্যান্ড। সবশেষ ২০১৮ সালের নভেম্বরে দুবাইতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৬ রান ও ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল নিউজিল্যান্ড। লঙ্কানদের বিপক্ষে কিউইদের দ্বিতীয় ইনিংস ব্যবধানে পরাজয় এটি। ১৯৯৮ সালে গলে ইংনিস ও ১৬ রানে কিউইদের হারায় শ্রীলঙ্কা। সেবার ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল স্বাগতিক দল।
টসে জিতে আগে ব্যাটের সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। ১৬৩.৪ ওভার ব্যাট করে ৫ উইকেটে ৬০২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে ধনঞ্জয়া ডি সিলভার দল। সেঞ্চুরি পেয়েছেন দিনেশ চান্দিমাল, কামিন্দু মেন্ডিস ও কুশল মেন্ডিস। নিজেদের প্রথম ইনিংসে নেমে ৩৯.৫ ওভার ব্যাট করে ৮৮ রানে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। ৫১৪ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে ৮১.৪ ওভার ব্যাট করে ৩৬০ রানে থামে কিউইবাহিনী।
টেস্টের ভাগ্য লেখা হয়েছিল মূলত তৃতীয় দিনে। ৬০২ রান সামনে রেখে প্রথম ইনিংসে ৮৮ রানে অলআউটের পর দ্বিতীয় ইনিংসে অবিশ্বাস্য কিছুই করতে হতো কিউইদের। তৃতীয় দিন শেষে ১৯৯ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর ইনিংস ব্যবধানে হার এড়ানোটা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায় নিউজিল্যান্ডের সামনে।
৩১৫ রানে পিছিয়ে থেকে চতুর্থ দিন ব্যাটে নেমে নিশান পেইরিস ও প্রবাথ জয়সুরিয়ার ঘূর্ণিতে মধ্যাহ্ন বিরতির কিছুপর গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৬০ রানের পথে ৭৮ রান করেছেন গ্লেন ফিলিপস। মিচেল স্যান্টনার ৬৭, ডেভন কনওয়ে ৬১, টম ব্লান্ডেল ৬০ এবং কেন উইলিয়ামসন ৪৬ রান করেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে লঙ্কানদের হয়ে নিশান ৬ উইকেট ও প্রবাথ ৩টি উইকেট নেন।








