কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রামে তীব্র শীতে কাহিল চরের মানুষ

তীব্র শীতে কাহিল কুড়িগ্রামের চরের মানুষ, রাস্তার পাশে বসে আছেন একজন বৃদ্ধা. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

কুড়িগ্রামের চরে তীব্র শীতে কাহিল মানুষ, রাস্তার পাশে বসে আছেন একজন বৃদ্ধা, দূরে যানবাহন চলাচল করছে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

কুড়িগ্রামের ৯ উপজেলা ও চার শতাধিক চর ও দ্বীপ চরের নদ-নদী অববাহিকার মানুষ এবং গৃহপালিত পশু শীতে কাহিল হয়ে পড়েছে। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা। শীতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যহত হয়ে পড়েছে।

বাড়ছে শীতজনিত নানান রোগ বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা পড়েছে বিপাকে। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর ভীড়। বিশেষ করে রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলাসহ নয়টি উপজেলায় একই অবস্থা।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭ টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আকাশে ঘন মেঘ থাকায় আগামী ২৪ ঘন্টা সূর্যের দেখা না মেলার সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে এর পরও কুয়াশার কারণে ঘটছে দুর্ঘটনা।

শীতের তীব্রতায় বিপাকে পড়েছে কৃষি শ্রমিক ও স্বল্প আয়ের খেটে খাওয়া মানুষজন। তীব্র ঠাণ্ডায় অনেকেই কাজে বেড় হতে পরছে না। এদিকে দিনের বেলা তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও বিকেল থেকে তাপমাত্রা কমতে থাকে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হয়। শীতে কষ্টে পড়েছে জেলার নদ-নদী তীরবর্তী চর ও দ্বীপ চরের মানুষজন।

কুড়িগ্রাম সদরের হলোখানা ইউনিয়নের কৃষক ইউনুস আলি ও নজির হোসেন বলেন, কয়েকদিন থেকে খুব ঠাণ্ডা অসহনীয় হয়ে পড়ছে। হাত পা বরফ হয়ে যায়। কাজ করা খুব কষ্ট।

হাতিয়া ইউনিয়নের মজিদুল জানান, গরিব মানুষের খুব কষ্ট হচ্ছে শীতের কাপড় বিতরণ দরকার। অন্যান্য বারের মতো এবার শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে না। কমদামে পুরান কাপড়ের ওপর দরিদ্র মানুষের নির্ভরতা বাড়ছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাই সরকার জানান, ১৮০০ পিস কম্বল ও ২৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছে। টাকা দিয়ে কম্বল ক্রয় করে বিতরনের প্রক্রিয়া চলছে। আরো বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদক

শ্যামল ভৌমিক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি, চ্যানেল আই

আরও →

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…