জুলাই বিপ্লবকে নিয়ে যারা ফায়দা লুটতে চায় তাদেরকে চিহ্নিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির।
আজ (৯ মার্চ) সোমবার পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া সেন্টারে সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় ৪৪ পুলিশ হত্যাকাণ্ডের মামলার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইজিপি বলেন, হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই আসামি ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছে। তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ্যানেলে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অচিরেই তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।
তিনি জানান, ইতিমধ্যে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। উগ্রপন্থি গোষ্ঠীর উত্থান ঠেকাতেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে। ঈদযাত্রায় মহাসড়কে ডাকাতি, ছিনতাই বা চাঁদাবাজির মতো অপরাধ যাতে না ঘটে, সে জন্য হাইওয়ে পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনীকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ বাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে প্রতিটি জেলার সদর থানাকে ‘জিরো কমপ্লেইন’ বা অভিযোগমুক্ত থানা হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি এজন্য থানাগুলোর কার্যক্রম সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান।
এসময় তদন্তের গুণগত মান বাড়াতে সিআইডিকে আধুনিকায়নের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন আইজিপি। তিনি বলেন, পুলিশের পদোন্নতি ও পদায়নে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি থাকবে না। সৎ ও যোগ্য কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন করা হবে। কিছু সদস্যের কারণে পুরো বাহিনীর সুনাম নষ্ট হচ্ছে।







