জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন এবং নভেম্বরে গণভোটসহ পাঁচ দফা দাবিতে নতুন কর্মসূচি দিয়েছে আন্দোলনরত রাজনৈতিক দলগুলো।
জামায়াত ইসলামী ও সমমনা দল গুলো বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করবে।
বুধবার ২৯ অক্টোবর, জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়।
জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৩০ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া এবং ৩ নভেম্বর শীর্ষ নেতাদের সংবাদ সম্মেলনে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সাংবাদিক সম্মেলনে সংসদ নির্বাচন নিয়ে ইউনুছ আহমাদ বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে নভেম্বরেই গণভোট সম্পন্ন করতে হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের কিছু বিষয় পরিবর্তনের চেষ্টা করছে একটি দল। এ অপচেষ্টা রুখে দেয়া হবে। ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশে ক্রিটিকাল সিচুয়েশন তৈরি হয়েছে।
গণভোট নিয়ে তিনি আরও বলেন, গণভোটের সিদ্ধান্ত এখন সরকারকেই নিতে হবে। আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই এখন সরকারের দায়িত্ব দ্রুত গণভোটের তারিখ দেয়া। গণভোটের তারিখ ঘোষণায় সরকার যত দেরি করবে জাতীয় নির্বাচন তত পিছিয়ে যাবার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, রাজনীতির ময়দানে মেঘ জমেছে ৷ এই মেঘ কাটাতে প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনরত রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের মধ্যে ছিলেন– জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমাদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলামী পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, জাগপা মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম।







