চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

ইরানে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?

তৌফিক আহমেদতৌফিক আহমেদ
৩:৪৯ অপরাহ্ন ৩১, মার্চ ২০২৬
- সেমি লিড, আন্তর্জাতিক
A A
ছবি: প্রেসিডেন্সির প্রথম মেয়াদে টোকিওর দক্ষিণে ইয়োকোসুকায় 'ইউএসএস ওয়াস্প' যুদ্ধজাহাজে সেনাদের স্যালুট করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ছবি: প্রেসিডেন্সির প্রথম মেয়াদে টোকিওর দক্ষিণে ইয়োকোসুকায় 'ইউএসএস ওয়াস্প' যুদ্ধজাহাজে সেনাদের স্যালুট করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধ যখন দ্বিতীয় মাসে পদার্পণ করেছে, তখন ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সম্ভাব্য স্থল অভিযানের গুঞ্জন ক্রমশ প্রবল হচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর ইরানে সীমিত পরিসরে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং এই লক্ষ্যে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর ইরানের খারগ দ্বীপ এবং হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি উপকূলীয় অবস্থানগুলোতে আকস্মিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। উল্লেখ্য, ইরানের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশই এই খারগ দ্বীপের মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। অন্যদিকে, শান্তিকালীন সময়ে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হলেও, এক মাস আগে তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রথম হামলার পর ইরান কার্যত এই প্রণালিটি বন্ধ করে দেয়। এর পর থেকে কেবল চীন, ভারত ও পাকিস্তানের পতাকাবাহী কয়েকটি জাহাজকে নিরাপদ যাতায়াতের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে; যুদ্ধপূর্ব সময়ে বৈশ্বিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি প্রায় ৬৫ ডলার থাকলেও, তা লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে গত সোমবার প্রায় ১১৬ ডলারে পৌঁছেছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই পরিকল্পনাগুলো একটি পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসনের চেয়ে ছোট পরিসরের হলেও, এতে বিশেষ অভিযান ও প্রচলিত পদাতিক বাহিনীর মাধ্যমে আকস্মিক আক্রমণ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। গত রোববার ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানের তেল দখল করতে চান এবং খারগ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেন।

এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, মার্কিন সেনারা আগ্রাসনের চেষ্টা করলে তাদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে। রোববার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “মার্কিন সেনারা মাটিতে পা রাখা মাত্রই তাদের আগুনে ভস্মীভূত করতে এবং তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের চিরতরে শাস্তি দিতে আমাদের লোকজন অপেক্ষায় আছে।”

যুক্তরাষ্ট্র এ পর্যন্ত কী পরিমাণ বাহিনী মোতায়েন করেছে

Reneta

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর অনেক আগে, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ৪০ হাজার থেকে ৫০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল। তারা এই অঞ্চলের বড় ও স্থায়ী ঘাঁটিগুলোর পাশাপাশি ছোট ছোট অগ্রবর্তী অবস্থানগুলোতেও মোতায়েন ছিল।

চলতি বছরের শুরু থেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছেন; প্রাথমিকভাবে তিনি আরব সাগরে আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরীসহ বেশ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ পাঠান।

ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স বিশ্লেষক এবং সামরিক ফ্লাইটের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে ১২০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে, যা ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমান শক্তির সবচেয়ে বড় সমাবেশ।

মোতায়েন করা এই বিমানগুলোর মধ্যে রয়েছে ই-৩ সেন্ট্রি এয়ারবর্ন ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (এডব্লিউএসিএস), এফ-৩৫ স্টেলথ স্ট্রাইক ফাইটার এবং এফ-২২ এয়ার সুপিরিয়রিটি জেট; সেই সঙ্গে রয়েছে এফ-১৫ এবং এফ-১৬ যুদ্ধবিমান। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটায় দেখা গেছে যে এই বিমানগুলো যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের ঘাঁটি থেকে কার্গো বিমান ও এরিয়াল রিফুয়েলিং ট্যাংকারের সহায়তায় যাত্রা করেছে, যা সাধারণ রুটিন পরিবর্তনের বদলে দীর্ঘমেয়াদি অপারেশনাল পরিকল্পনারই ইঙ্গিত দেয়।

মঙ্গলবার পেন্টাগন উপসাগরীয় অঞ্চলে অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানোর নির্দেশ দেয়। উপসাগরের দিকে অগ্রসর হওয়া এই অতিরিক্ত বাহিনী তিনটি ভিন্ন ভিন্ন গঠনে বিভক্ত, যাদের উৎস, রুট এবং সময়সূচিও আলাদা।

অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের এই নৌবহরগুলোকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম বহরের কেন্দ্রে রয়েছে যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস ট্রিপোলি’ এবং এর সঙ্গে থাকছে মেরিন সেনাদের একটি বিশেষ দল (৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট)। দ্বিতীয় বহরটি পরিচালিত হচ্ছে যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস বক্সার’ এবং দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া-ভিত্তিক আরেকটি বিশেষ মেরিন দলের (১১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট) সমন্বয়ে।

এই দুটি বিশাল নৌবহর মিলে ওই অঞ্চলে নতুন করে প্রায় সাড়ে চার হাজার (৪ হাজার ৫০০) মার্কিন মেরিন সেনা ও নাবিক যুক্ত করবে।

তৃতীয় দলটি নর্থ ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে অবস্থিত ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের ‘ইমিডিয়েট রেসপন্স ফোর্স’-এর প্রায় ২ হাজার সৈন্য নিয়ে গঠিত। এই এয়ারবর্ন পদাতিক ডিভিশনটি মূলত প্যারাশুট হামলার ক্ষেত্রে পারদর্শী। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সব মিলিয়ে প্রায় ৭ হাজার অতিরিক্ত মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

এই সেনা মোতায়েন কি একটি পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসনের জন্য যথেষ্ট?

যুক্তরাষ্ট্র এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানে কোনো স্থল আগ্রাসনের ঘোষণা দেয়নি, তবে শুক্রবার মার্কিন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, পেন্টাগন ইতিমধ্যে মোতায়েন করা সেনাদের পাশাপাশি আরও ১০ হাজার স্থল সেনা পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১৭ হাজার সেনা মোতায়েন থাকবে; তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্য কোনো বিদেশি সৈন্য যোগ দেবে কি না, তা এখনও অস্পষ্ট।

এই সেনাসংখ্যা ২০০৩ সালের মার্চ মাসে ইরাক আক্রমণের সময় মোতায়েন করা সেনাসংখ্যার তুলনায় অনেক কম। ২০০৩ সালের ২০ মার্চ শুরু হওয়া মার্কিন নেতৃত্বাধীন ইরাক আগ্রাসনে প্রাথমিক অভিযানে ১ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন সেনা এবং অন্যান্য দেশের ২৩ হাজার সেনা অংশ নিয়েছিল। এমনকি ২০১১ সালে ইরাক থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের ছয় মাস আগেও প্রায় ৪৫ হাজার মার্কিন সেনা ইরাকি বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য সেখানে অবস্থান করছিল। ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়েও ইরাকে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল, যদিও পরে তাদের বেশিরভাগকেই সিরিয়ার মতো অন্যান্য দেশে পুনরায় মোতায়েন করা হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায় যে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানে কোনো পূর্ণাঙ্গ স্থল আগ্রাসনের প্রস্তুতি নিচ্ছে না। ব্রিটিশ নিরাপত্তা ও ঝুঁকি উপদেষ্টা এবং সাবেক সামরিক প্রশিক্ষক জন ফিলিপস জানান, বর্তমান মার্কিন সেনা মোতায়েন মূলত সীমিত ও উচ্চ-তীব্রতার অভিযানগুলোর দিকেই ইঙ্গিত করে। এর মধ্যে নৌপথ স্থিতিশীল করা এবং শিপিং লেনগুলো পুনরায় চালু করার জন্য খারগ দ্বীপ বা হরমুজ প্রণালির ছোট দ্বীপগুলো দখল করে দ্রুত সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এই অভিযানগুলো শুরু হতে পারে বিমানবাহী রণতরী থেকে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র এবং মাইনগুলোর ওপর হামলার মাধ্যমে। এটি মার্কিন মেরিনদের হেলিকপ্টার ও ল্যান্ডিং ক্রাফট ব্যবহার করে আক্রমণ চালাতে, হুমকি দূর করতে, বিমানঘাঁটিগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে বা অস্ত্রের মজুত ধ্বংস করতে সাহায্য করবে, আর একই সময়ে এয়ারবর্ন ট্রুপস গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলো ধরে রাখতে বা মিত্রদের সহায়তা করতে প্যারাশুট নিয়ে নামতে পারে।

ফিলিপস মনে করেন, প্রাথমিক অভিযানের মধ্যে খারগ দ্বীপ দখলের মতো বিষয় থাকতে পারে, যেখানে মার্কিন মেরিনদের অবতরণের সময় ল্যান্ডমাইনের মতো প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থার সম্মুখীন হতে হবে এবং সামরিক সাইট ও তেল অবকাঠামো ধ্বংস করার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। তার মতে, এতে ব্যাপক প্রাণহানি হতে পারে এবং এটি তেহরানের জন্য অর্থনৈতিকভাবে চরম বিপর্যয়কর হতে পারে। অন্যান্য অভিযানের মধ্যে হেলিবোর্ন হামলা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, যেখানে ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের সদস্যরা হরমুজ উপকূল বরাবর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারি, ফাস্ট বোট বা কমান্ড নোডগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে প্যারাশুট বা হেলিকপ্টার থেকে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে।

কী ধরনের স্থল অভিযান হতে পারে?

উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালির কৌশলগত দ্বীপগুলো দখল করা থেকে শুরু করে ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুত সরিয়ে নেওয়াসহ বেশ কয়েকটি বিকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে।

ইউনিভার্সিটি অব ইয়র্কের রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী প্রভাষক ক্রিস্টোফার ফেদারস্টোনের মতে, যেকোনো সামরিক অভিযান পূর্ণ মাত্রার আগ্রাসনের পরিবর্তে সুনির্দিষ্ট ও সীমিত পরিসরে হবে। তিনি বলেন, আমি মনে করি এটি খারগ দ্বীপের মতো কোনো কৌশলগত সম্পদ দখলের অভিযান হতে পারে।

তার মতে, এটি একটি অত্যন্ত দ্রুত এবং জোরালো আঘাত হতে পারে; কারণ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সংক্ষিপ্ত এবং মনোযোগ আকর্ষণকারী পদক্ষেপ পছন্দ করেন। ফলে তার ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট অভিযান পরিচালনার সম্ভাবনাই বেশি।

জন ফিলিপস ধারণা করছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি খারগ দ্বীপ দখল করে, তবে মার্কিন সেনাবাহিনীর ১০ম মাউন্টেন ডিভিশন যা একটি প্রিমিয়ার পদাতিক ডিভিশন সম্ভবত সেই দ্বীপটি ধরে রাখার দায়িত্ব পাবে। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য স্থলভাগের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ক্ষেত্রে এই ডিভিশনটি সাধারণত প্রথম পছন্দ; অতীতের সোমালিয়া ও আফগানিস্তান অভিযানেও এদের সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল। তিনি আরও যোগ করেন যে, দেশের আরও গভীরে যেকোনো অভিযান পরিচালনা করতে হলে সাঁজোয়া যানের সহায়তা প্রয়োজন হবে, যা অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ও আর্থিকভাবে ব্যয়বহুল।

বর্তমান সামরিক গতিবিধি, সেনা মোতায়েনের ধরন এবং সামরিক বিশ্লেষকদের সার্বিক পর্যবেক্ষণ থেকে এটি স্পষ্ট যে, যুক্তরাষ্ট্র এখনই ইরানের মূল ভূখণ্ডে সর্বাত্মক আগ্রাসনের পথে হাঁটছে না। বরং, ওয়াশিংটনের লক্ষ্য হতে পারে অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট, দ্রুত এবং কৌশলগত একটি অভিযান, যার প্রধান উদ্দেশ্য ইরানের অর্থনীতি ও সামরিক অবকাঠামোতে বড় ধরনের আঘাত হানা এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের রুটগুলো পুনরায় নিজেদের অনুকূলে নিয়ে আসা।

তবে, খারগ দ্বীপ বা হরমুজ প্রণালির মতো স্পর্শকাতর স্থানে যেকোনো ধরনের সীমিত সামরিক অভিযানও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে। ইরানের পাল্টা প্রতিরোধের কঠোর হুঁশিয়ারি এবং তাদের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ সব মিলিয়ে এই অঞ্চলে এখন এক নজিরবিহীন ও চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সামনের দিনগুলোতে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের যেকোনো ছোট পদক্ষেপ বা সামরিক ভুল হিসাব-নিকাশ শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বরং পুরো বিশ্বের অর্থনীতি এবং ভূ-রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি ও বিধ্বংসী প্রভাব ফেলতে পারে। পরিস্থিতি আপাতত যে দিকে এগোচ্ছে, তাতে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ হয়তো এড়ানো যেতে পারে, কিন্তু সংঘাতের এই নতুন অধ্যায় খুব দ্রুত শান্ত হওয়ার কোনো লক্ষণ এখনই দেখা যাচ্ছে না। উভয় পক্ষই এখন এমন এক সংকটময় সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখান থেকে ফেরা অত্যন্ত কঠিন।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: ইরান যুদ্ধ ২০২৬ইসরায়েলযুক্তরাষ্ট্র
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ছবি: সংগৃহীত

অধিবেশনের ফাঁকে দর্শক গ্যালারিতে থাকা শহীদ পরিবার ও আহতদের সাথে দেখা করলেন প্রধানমন্ত্রী

এপ্রিল ৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

শিবগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের ৪৭ সদস্যের উপজেলা কমিটি

এপ্রিল ৫, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

এপ্রিল ৫, ২০২৬

আর্টেমিস-টু মিশনের ওরিয়ন মহাকাশযান অর্ধপথে

এপ্রিল ৫, ২০২৬

দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় হামের জরুরি টিকা শুরু

এপ্রিল ৫, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT