যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর ইরানের বিভিন্ন শহরে সাধারণ মানুষকে রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল করতে দেখা গেছে। রাজধানী তেহরানসহ একাধিক এলাকায় মানুষ পতাকা হাতে উদ্যাপন করে এবং স্লোগান দিচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচার করে একে ‘বিজয়ের মুহূর্ত’ হিসেবে তুলে ধরছে।
ইরান সরকারও এটিকে শাসকগোষ্ঠীর বড় সাফল্য হিসেবে ব্যাখ্যা করছে। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রকাশিত বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধে ইরান তার প্রায় সব লক্ষ্য অর্জন করেছে এবং প্রতিপক্ষ একটি ঐতিহাসিক ব্যর্থতার মুখে পড়েছে।
সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী, সামরিক ও কৌশলগত অবস্থান ধরে রেখে যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোই এই সাফল্যের প্রমাণ। তবে আন্তর্জাতিক মহলে সংঘাতের সামগ্রিক প্রভাব ও বাস্তব অর্জন নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই সপ্তাহের জন্য ইরানে হামলার হুমকি স্থগিত করেছেন। আর ইরানের ওপর হামলা বন্ধ করা হলে নিজেদের প্রতিরোধমূলক সামরিক অভিযান স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের এই সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির প্রক্রিয়ার মধ্যেই ইরানের পক্ষ থেকে এই ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেল।







